
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে হেঁশেলে। চারিদিকে গ্যাসের আকাল। বুকিং করেও মিলছে না সিলিন্ডার। রেস্তোরাঁ, মিড ডে মিল, এমনকী হাসপাতালেও LPG সঙ্কট প্রকট। এই অবস্থায় আপনার রান্নাঘরে যে সিলিন্ডার এখনও রয়েছে, তা বুঝেশুনে খরচ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সিলিন্ডার বুকিং হয়ে ডেলিভারি কবে পাওয়া যাবে, তা এখনও বিশ বাঁও জলে। ফলতো কী উপায় গ্যাস বাঁচাবেন, তা ঝটপট জেনে নিন।
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডারের চাহিদা তুঙ্গে। অনেক জায়গায় সিলিন্ডার মিলছে না। বুকিংয়ের জন্য লম্বা লাইন অধিকাংশ এলাকাতেই। এই অবস্থায় একটাই উপায়, গ্যাস বাঁচান।
> সর্বপ্রথম নজর রাখতে দিতে হবে বার্নারের দিকে। ওভেনে ২টি বার্নার থাকে। একটি ছোট এবং অপরটি সাধারণত বড় আকারের। ছোট পাত্র এবং বড় পাত্র বসানোর জন্য। বার্নার পরিষ্কার রাখলে কিছুটা হলেও গ্যাস কম পুড়বে। দীর্ঘদিনের পুরনো বার্নারে গ্যাস বেশি পোড়ার সম্ভাবনা থাকে।
> রান্নার গ্যাসের আগুনের রং নীল হওয়াই বাঞ্ছনীয়। লাল, হলুদ কিংবা কমলা রঙের আগুন দেখলে বুঝবেন, গ্যাস বেশি পুড়ছে। এক্ষেত্রে বার্নার সঠিক ভাবে পরিষ্কার করে নিয়ে রান্না চাপানো উচিত।
> ওভেনে পাত্র বসানোর আগে ভাল করে শুকিয়ে নিন। ভেজা পাত্র বসালে গ্যাস বেশি পোড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও পাত্র ঢাকা দিয়ে রান্না করুন, আঁচ কমিয়ে।
> ভাত রাঁধার সময়ে আগে চাল ভাল করে ধুয়ে রাখতে হবে। এতে গ্যাস বাঁচে।
> সাধারণত সিলিন্ডারের ওজন ২৯.৭ কেজি। এর মধ্যে ১৪.২ কেজি গ্যাস থাকে। বাকি ১৫.৫ কেজি খালি সিলিন্ডারের ওজন। ডেলিভারির সময়ে এই গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন সঠিক ভাবে দেখে নিলে ঠকবেন না।
> সাধারণ বাসনের পরিবর্তে যত বেশি সম্ভব প্রেশার কুকার ব্যবহার করুন। গ্যাসের অপচয় কম হবে।
> ফ্রিজ থেকে শাক-সব্জি বা যে কোনও খাবার বার করে বাইরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অন্তত আধ ঘণ্টা রেখে দিন। ঠান্ডা ভাব একদম চলে গেলে রান্না শুরু করুন। ফ্রিজের ঠান্ডা কাটাতেই গ্যাস অনেক বেশি খরচ হয়।