
বৃহস্পতিবার ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্তবর্তী বাজেট। আর এই বাজেটে কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে একাধিক প্রকল্পে বেড়েছে টাকা। এমনকী সিভিক ভলেন্টিয়ার, পার্শ্বশিক্ষক থেকে শুরু করে একাধিক ক্ষেত্রে বাড়ানো হয়েছে বেতন। তবে এসব বাদ দিলেও রাজ্য বাজেটে যুবসাথী নামক একটি প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। আর নতুন এই প্রকল্পের দিকেই রয়েছে যত লাইমলাইট। এই স্কিমের খুঁটিনাটি জানতে চাইছেন অনেকেই।
কী স্কিম?
পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুব সমাজের জন্য এই স্কিমটি সামনে আনা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫০০ টাকা করে প্রতি মাসে পাওয়া যাবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আর বাজেট অধিবেশন শেষ করার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নতুন এই প্রকল্প নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানিয়ে দেন যে, বেকার যুবক-যুবতীরা যখন চাকরি খুঁজবেন, তখন তাঁদের পাশে থাকার জন্যই এই স্কিম আনা হল।
কারা পাবেন ভাতা?
২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যে কোনও বেকারদের এই ভাতা দেওয়া হবে। প্রতি মাসে পাওয়া যাবে ১৫০০ টাকা।
কতদিন টাকা মিলবে?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো নয় এই স্কিম। তাই সারা জীবন মিলবে না টাকা। বরং এই স্কিমের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ বছর টাকা পাওয়া যাবে। তার বেশি নয়। আর এই ভাতা পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে।
এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে বেকার হতে হবে। তিনি যতদিন চাকরি পাচ্ছেন না, ততদিন (সর্বোচ্চ ৫ বছর) দেওয়া হবে টাকা। তবে কেউ যদি ৫ বছরের আগেই চাকরি পেয়ে যান, তখন এই স্কিমের টাকা বন্ধ হয়ে যাবে বলেই প্রাথমিকভাবে খবর।
কেন দেওয়া হচ্ছে টাকা?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে বেকারদের পাশে থাকার জন্যই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। চাকরি পাওয়ার সময় তাঁদের আর্থিক সাহায্য করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
কীভাবে অ্যাপ্লাই করা হবে?
এই বিষয়টা সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু জানান হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, এই প্রকল্পের জন্য আলাদা করে খোলা হবে পোর্টাল। সেখানেই অ্যাপ্লাই করতে হবে।
যদিও একটা কথা বলে রাখি, এই প্রকল্প শুধু ঘোষণা হয়েছে মাত্র। এই প্রকল্প এখনও চালু হয়নি। পশ্চিবঙ্গের ভোটের পরই এই প্রকল্প চালু হতে পারে।