Advertisement

New Salary Rules: ইন হ্যান্ড স্যালারি কমতে পারে ১ এপ্রিল থেকে, আয়করের নয়া নিয়মে কী কী বদল?

ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্ট ২০২৫ এবং ইনকাম ট্যাক্স নিয়মবিধি ২০২৬ অনুযায়ী বদলাতে পারে বার্ষিক বেতনের কাঠামো। বার্ষিক বেতন একই থাকলেও এই বদল হবে। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে এই নিয়ম ধার্য হবে। নয়া নিয়মে করের হার বাড়বে না, তবে বেতন-সংক্রান্ত সুবিধা ও ভাতা, অর্থাৎ বেতনের একটি বড় অংশ এখন করযোগ্য আয় হিসাবে গণ্য করা হতে পারে। 

টাকা (প্রতীকী ছবি)টাকা (প্রতীকী ছবি)
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 25 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:29 AM IST

ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্ট ২০২৫ এবং ইনকাম ট্যাক্স নিয়মবিধি ২০২৬ অনুযায়ী বদলাতে পারে বার্ষিক বেতনের কাঠামো। বার্ষিক বেতন একই থাকলেও এই বদল হবে। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে এই নিয়ম ধার্য হবে। নয়া নিয়মে করের হার বাড়বে না, তবে বেতন-সংক্রান্ত সুবিধা ও ভাতা, অর্থাৎ বেতনের একটি বড় অংশ এখন করযোগ্য আয় হিসাবে গণ্য করা হতে পারে। 

সরকার সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়োগকারীদের দেওয়া সুবিধা সংক্রান্ত নিয়মকানুন কঠোর করবে। কোম্পানিগুলি নতুন কাঠামোর সঙ্গে বেতন কাঠামো সামঞ্জস্য করতে শুরু করলে কর্মচারীরা হাতে পাওয়া বেতন অর্থাৎ টেক হোম স্যালারি, করের দায় (Tax Liability) বা বেতনের বিভাজন (Salary Breakup) পরিবর্তিত হতে পারে। টেক-হোম স্যালারি কম এলেও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে।

কী কী পরিবর্তন হবে?
নতুন আয়কর নিয়ম, ২০২৬ অনুযায়ী, নিয়োগকর্তাদের দেওয়া বেশিরভাগ সুবিধা-ভাতা এখন করযোগ্য দেখানো হবে। আগে কিছু সুযোগ-সুবিধা শিথিল করা ছিল। এতে কোম্পানিগুলির বেতন প্যাকেজ অনেকটা নমনীয় ছিল। নতুন নিয়মে সেই নমনীয়তা হ্রাস পেতে চলেছে।

এর অর্থ হল, নতুন মূল্যায়ন নিয়ম মেনে চলার জন্য নিয়োগকর্তারা ভাতা, অন্যান্য সুবিধার মতো বেতনের উপাদানগুলো পুনর্গঠন করতে পারে। ফলে, CTC অপরিবর্তিত থাকলেও, এপ্রিল ২০২৬ থেকে মূল বেতন, ভাতা এবং করযোগ্য সুবিধার অনুপাত বদল হতে পারে।

নতুন শ্রম আইন এবং নতুন আয়কর বিধি – ২০২৬ অর্থবছর থেকে বেতন স্লিপে পরিবর্তন আসবে। সরকারের মতে, একজন কর্মচারীর মূল বেতন তার মোট সিটিসি-র (CTC) কমপক্ষে ৫০% হওয়া উচিত। এটি বাস্তবায়ন করতে, কোম্পানিগুলো তাদের মূল বেতন বাড়াবে। এর ফলে পিএফ (PF) এবং গ্র্যাচুইটির (gratuity) মতো অবসরকালীন সুবিধাগুলো সরাসরি প্রভাবিত হবে, কারণ এগুলো মূল বেতনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

আপনার বেতন স্লিপে কী পরিবর্তন আসবে?

  • ৫০% নিয়ম পূরণের জন্য মূল বেতন বৃদ্ধি করা হবে।
  • 'ফ্লেক্সিবল অ্যালাউন্স' বা 'স্পেশাল অ্যালাউন্স' কমানো হতে পারে।
  • মূল বেতন বৃদ্ধির ফলে এবং কোম্পানির পিএফ (প্রভিডেন্ট ফান্ড) টাকা দেওয়া বাড়বে, যে কারণে আপনার হাতে আসা বেতন কিছুটা কম হতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে।
  • কোম্পানিগুলো এখন ফুড কুপন এবং গাড়ি লিজের মতো বিকল্পগুলোকে উৎসাহিত করবে, কারণ নতুন ব্যবস্থাতেও এগুলো কর সাশ্রয়ে সহায়ক।
  • ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই পরিবর্তনগুলো বেতনের ক্ষেত্রে পুরো বিষয়টিকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। কর সাশ্রয় এখন আর শুধু বিনিয়োগের বিষয় নয়, বরং সঠিক কর ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার বিষয়। যদি আপনার বড় কোনও বিনিয়োগ না থাকে, তবে নতুন ব্যবস্থাটি আপনার জন্য ভালো, কিন্তু যদি আপনার বাড়ির ঋণ এবং বেশি ভাড়া থাকে, তবে পুরনো ব্যবস্থাটিই মেনে চলুন।

আরও কিছু করযোগ্য হতে পারে
২০২৬ সালের আয়কর নিয়মে নির্দিষ্ট করা হয়েছে যে, সাধারণ সুবিধাগুলোর উপর কীভাবে কর ধার্য করা হবে। এর ফলে, আগে করমুক্ত বলে বিবেচিত বেশ কিছু সুবিধা এখন করযোগ্য আয় বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে হাতে বেতন আসবে কম। 

Advertisement

শহরভেদে, নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত আবাসনের উপর বেতনের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ হারে কর ধার্য করা হবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত হোটেল খরচও করযোগ্য সুবিধা হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে কোম্পানির গাড়ি ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট করযোগ্য মূল্য থাকে, এবং যদি নিয়োগকর্তা চালকের বেতন প্রদান করেন, তবে করযোগ্য পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।

কোম্পানির দেওয়া গৃহকর্মী, বিদ্যুৎ, গ্যাস বা জলের বিলের মতো খরচ ব্যক্তিগত সুবিধা হিসেবে গণ্য হয় এবং করযোগ্য আয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়।

নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত সন্তানের পড়াশোনার ভাতা করযোগ্য হবে। নিয়োগকর্তার কাছ থেকে অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত উপহারও আয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে।

নিয়োগকর্তা-প্রদত্ত ছুটি, ক্লাব সদস্যপদ, বা কোম্পানির ক্রেডিট কার্ডে করা ব্যক্তিগত খরচ করযোগ্য, যদি না সেগুলি অফিসের কাজের জন্য হয়ে থাকে।

যেহেতু মূল্যায়ন বিধিগুলি এখন সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত, তাই কোম্পানিগুলি কিছু সুযোগ-সুবিধা কমাতে পারে বা সেগুলিকে করযোগ্য বেতনে রূপান্তরিত করতে পারে, যা বেতনের সামগ্রিক কাঠামো পরিবর্তন করতে পারে।

Read more!
Advertisement
Advertisement