Advertisement

New Vande Bharat Sleeper: ঘণ্টায় ১৮০ কিমি, গ্লাসের জলও কাঁপবে না, হাওড়া-শিয়ালদা থেকে নতুন বন্দে ভারত স্লিপার 'পুরো মাখন'

রেলের তরফে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় চলছে বন্দে ভারত স্লিপার। কিন্তু কাচের গ্লাসে রাখা জল একটুও চলকাচ্ছে না। 

বন্দে ভারত স্লিপার।-ফাইল ছবিবন্দে ভারত স্লিপার।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:16 PM IST
  • বন্দে ভারত ট্রেন উদ্বোধনের পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা থামছেই না।
  • কম সময়ে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করার সুবিধা যেমন যাত্রীদের উপকারে এসেছে, তেমনই খাবার, কোচের মান বা কিছু প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে।

বন্দে ভারত ট্রেন উদ্বোধনের পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা থামছেই না। কম সময়ে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করার সুবিধা যেমন যাত্রীদের উপকারে এসেছে, তেমনই খাবার, কোচের মান বা কিছু প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। তবে আসন্ন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ঘিরে সেই সব অভিযোগ আর থাকবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সদ্য প্রকাশ্যে আসা নতুন লুকের ছবি দেখেই তা স্পষ্ট, এই ট্রেন যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যকে একেবারে নতুন স্তরে নিয়ে যেতে চলেছে।

রেলের তরফে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় চলছে বন্দে ভারত স্লিপার। কিন্তু কাচের গ্লাসে রাখা জল একটুও চলকাচ্ছে না। 

চেন্নাইয়ের ইন্টেগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) তৈরি করেছে ওই ট্রেন। ইতিমধ্যেই উদ্বোধনের জন্য বন্দে ভারত স্লিপার মালদায় এসে গেছে। জানা যাচ্ছে, মূলত ৮০০ থেকে ১,২০০ কিলোমিটার দূরত্বের রাতের যাত্রাকে আরামদায়ক করতেই এই স্লিপার ট্রেনের পরিকল্পনা। দীর্ঘ পথের যাত্রায় যাত্রীরা যেন নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নিতে পারেন, সেটাই এই ট্রেনের প্রধান লক্ষ্য।

বর্তমানে চলা বন্দে ভারত ট্রেন নিয়ে নানা অভিযোগ থাকলেও, এই স্লিপার সংস্করণে যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে একাধিক আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। এই ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা রাতের যাত্রার জন্য যথেষ্ট দ্রুত এবং নিরাপদ।

বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের বিশেষ ফিচার
দরজায় থাকবে সেন্সর ব্যবস্থা, হাত দিলেই দরজা খুলে যাবে।
থাকবে টাচ-ফ্রি বায়ো-ভ্যাকুয়াম টয়লেট, যা আরও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত।
সহজ যাতায়াতের জন্য কোচগুলির মধ্যে থাকবে ইন্টারকানেক্টিং দরজা।
যাত্রী ও ট্রেন কর্মীদের যোগাযোগের জন্য থাকছে টক-ব্যাক ইউনিট।
বিমানের আদলে বোতাম-নিয়ন্ত্রিত পরিষেবা, যাতে আপার বার্থে ওঠানামা সহজ হয়-এই সুবিধা থাকবে ফার্স্ট ক্লাস কোচে।
জরুরি অবস্থার জন্য আধুনিক এমার্জেন্সি ব্রেক, সঙ্গে নিরাপত্তার জন্য ‘কবচ’ সিস্টেম-সহ একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থা।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement