Advertisement

শাওয়ার থেকে ছাদে চার্জার পয়েন্ট, বন্দে ভারত স্লিপারে আর যা যা আছে

রবিবারেই দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারতের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রথম দিন মালদা থেকে কামাখ্যা পর্যন্ত চালানো হবে ট্রেনটি। উদ্বোধনী যাত্রার পর চালু হবে বাণিজ্যিক যাত্রা। ভারতীয় রেলের তরফে জানানো হচ্ছে, এই ট্রেনটি সাধারণ যাত্রীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।

বাথরুমে শাওয়ার থেকে ট্রেনের ছাদে চার্জার পয়েন্টবাথরুমে শাওয়ার থেকে ট্রেনের ছাদে চার্জার পয়েন্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:38 PM IST
  • স্লিপার বন্দে ভারত সাধারণ যাত্রীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
  • ট্রেনটি 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
  • এই ট্রেনে দেশীয় অটোমেটিক ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা 'কবচ' রয়েছে।

রবিবারেই দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারতের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রথম দিন মালদা থেকে কামাখ্যা পর্যন্ত চালানো হবে ট্রেনটি। উদ্বোধনী যাত্রার পর চালু হবে বাণিজ্যিক যাত্রা। ভারতীয় রেলের তরফে জানানো হচ্ছে, এই ট্রেনটি সাধারণ যাত্রীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ট্রেন রাতের আরামদায়ক সফর, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আর দ্রুত গতির মেলবন্ধনে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের যাত্রীদের যাত্রা অভিজ্ঞতা বদলে দেবে।

এই ট্রেনটি 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। কারণ এর তিনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম—বগি, প্রপালশন সিস্টেম এবং ভেহিকেল কন্ট্রোল সিস্টেম—সম্পূর্ণভাবে দেশের অভ্যন্তরেই ডিজাইন ও তৈরি করা হয়েছে, যা এটিকে একটি সম্পূর্ণ দেশীয় ট্রেন সেটে পরিণত করেছে।

পাশাপাশি,উন্নত নিরাপত্তা এবং যাত্রী-বান্ধব প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই ট্রেনে দেশীয় অটোমেটিক ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা 'কবচ' রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য একটি ইমার্জেন্সি টক ব্যাক সিস্টেম।

এছাড়াও, ট্রেনে উন্নত স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য আধুনিক জীবাণুমুক্তকরণ প্রযুক্তিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চালকের কেবিনটি নির্ভুল এবং দক্ষ পরিচালনার জন্য উন্নত কন্ট্রোল দ্বারা সজ্জিত এবং এর অ্যারোডাইনামিক বাহ্যিক নকশা শক্তি দক্ষতা ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। স্বয়ংক্রিয় বাহ্যিক যাত্রিবাহী দরজা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা আরও বাড়িয়ে তোলে।

ট্রেনটিতে কোচ রয়েছে ১৬টি। মোট ৮২৩ জন যাত্রী এই ট্রেনে সফর করতে পারেন। সর্বোচ্চ গতিবেগ সেট করা হয়েছে ১৮০ কিমি। যদিও গড় গতিবেগ থাকবে অনেক কম।  ট্রেনটি পুরো এসি কোচ হওয়ায়  সবকটি সিটেই দেওয়া হয়েছে আরামদায়ক গদি। এছাড়াও, উপরের সিটে চড়ার জন্য সিঁড়িগুলি অত্যাধুনিক ডিজাইন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, ট্রেনে হাইজিনের দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য করা হয়েছে আলাদা বাথরুম। পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাথরুমে রাখা হয়েছে শাওয়ার। প্রতিটি কামরায় রাখা হয়েছে এমার্জেন্সি টক বাটন অপশনও। এমনকী উপরের সিটে যে ব্যক্তিরা থাকবেন, তাঁদের জন্যও ট্রেনের ছাদে আলাদা করে চার্জার পয়েন্ট রাখা হয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement