
বিদেশ মন্ত্রকের পাসপোর্ট বিভাগ কর্তৃক জারি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি পাসপোর্ট। এটি পরিচয় এবং নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে কাজ করে। পাসপোর্ট ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ (কয়েকটি দেশ ছাড়া) অসম্ভব। বিদেশে নাগরিকত্ব প্রমাণের একমাত্র উপায় হল পাসপোর্ট।
পাসপোর্ট তৈরিতে কী কী নথি আবশ্যক? পাসপোর্ট তৈরির কতদিন পর বিদেশ ভ্রমণ করা যায়? জানুন বিস্তারিত।
পাসপোর্ট বানাতে কী কী নথি লাগে:
১. জন্ম প্রমাণপত্র: ১ অক্টোবর, ২০২৩ সালের পরে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা, যারা পাসপোর্ট পেতে চান, তাদের জন্ম তারিখের জন্য শুধুমাত্র তাদের জন্ম প্রমাণপত্র বৈধ হবে। তবে, এর আগে জন্মগ্রহণকারীরা দশম বোর্ডের মার্কশিট বা সার্টিফিকেট, স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা অন্য কোনও সরকারি পরিচয়পত্রের মতো অতিরিক্ত নথির ভিত্তিতে তাদের জন্ম তারিখ প্রমাণ করতে পারবেন।
২. স্থায়ী ঠিকানা: পাসপোর্টের নিয়ম বদলের পর, সংশোধিত পাসপোর্টের শেষ পৃষ্ঠায় আর স্থায়ী ঠিকানা মুদ্রিত থাকবে না; পরিবর্তে, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা বারকোড স্ক্যান করে তথ্য অ্যাক্সেস করতে সক্ষম হবেন।
৩. রঙ-কোডিং সিস্টেম: পাসপোর্টের জন্য এখন একটি নতুন রঙ-কোডিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। আধিকারিকদের জন্য সাদা। কূটনীতিকদের জন্য লাল এবং বেসামরিকদের জন্য নীল রঙের পাসপোর্ট জারি করা হয়।
৪. বাবা-মায়ের নাম অপসারণ: পাসপোর্ট হোল্ডারদের বাবা-মায়ের নাম আর পাসপোর্টের শেষ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত থাকবে না। এই নিয়ম পরিবারের বিচ্ছিন্ন সন্তানদের স্বস্তি দেবে। তাদের গোপনীয়তা বজায় রাখবে।
পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার কতদিনের মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ সম্ভব?
পাসপোর্ট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিদেশ যেতে পারেন। কোনও অপেক্ষা করতে হয় না। তৎকাল পাসপোর্ট করলে পুলিশ ভেরিফিকেশন করিয়ে ৩-৪ দিনের মধ্যেই বিদেশ যাওয়া যায়। তবে বিদেশ যেতে হলে পাসপোর্ট ছাড়াও ভিসা জরুরি।