Advertisement

Petrol Diesel Price Today: আজ কলকাতায় পেট্রোল-ডিজেলের দাম কত? জেনে নিন রান্নার গ্যাসের রেট

কলকাতায় পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম আজ কত? যুদ্ধের আবহে কি রেট বাড়ল? রান্নার গ্যাসের দাম কত যাচ্ছে শহরে? রইল রেট...

পেট্রোল-ডিজেলের দাম কত ? পেট্রোল-ডিজেলের দাম কত ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 13 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:26 AM IST
  • পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম আজ কত?
  • যুদ্ধের আবহে কি রেট বাড়ল?
  • গ্যাসের দাম কত যাচ্ছে শহরে?

যুদ্ধে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। সেই আঁচ পড়েছে বিশ্বের সর্বত্রই। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  ইরান যুদ্ধের আবহে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে কলকাতায়? শুক্রবার লিটার প্রতি দাম কত? 

বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ইতিমধ্যেই ১০০ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল কয়েকদিন আগেই। তবে এদিন তা সামান্য নেমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.৭৩ ডলার।  এ হেন পরিস্থিতিতে কলকাতা শহরে কি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়ে যেতে পারে? আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। 

> শুক্রবার কলকাতায় পেট্রলের দাম: লিটার প্রতি ১০৫.৪৫ টাকা। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় পরিবর্তিত হয়েছে ০.০৪ শতাংশ।> ডিজেলের দাম: প্রতি লিটারে ৯২.০২ টাকা। বৃহস্পতিবারের তুলনায় দামের পরিবর্তন হয়নি। 
> পাশাপাশি এদিন কলকাতায় ১৪.২ কিলো রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম: ৯৩৯ টাকা।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যহত হওয়ায় বর্তমানে অপরিশোধিত তেলের দাম  দ্বিতীয়বার এমন অস্বাভাবিক ওঠানামা করছে।  সরকার অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে বিপল্প রাস্তা থেকে ভারত তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে। তবে এই যুদ্ধে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যুদ্ধ বেশিদিন স্থায়ী হলে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিমান ও যানবাহন ভাড়া ব্যাপকভাবে বাড়বে। যার ফল মুদ্রাস্ফীতি। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কোপ সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটে পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা। 

আপাতত স্থিতিশীল থাকবে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম। সরকারি সূত্রে এমনই খবর পাওয়া যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলা উত্তেজনা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগ বাড়লেও ভারতে আপাতত পেট্রোল ও ডিজেলের দামে কোনও পরিবর্তন করা হবে না বলেও জানা যাচ্ছে। সূত্র অনুযায়ী, সম্প্রতি গ্যাসের দাম যে বৃদ্ধি হয়েছে তা খুবই সামান্য মনে করা হচ্ছে এবং কেন্দ্র এটিকে মূল্যবৃদ্ধি হিসেবে দেখতে চাইছে না। 

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি কমাতে ভারত ইতিমধ্যেই জ্বালানির উৎসের বৈচিত্র বাড়িয়েছে। আগে ভারতের প্রায় ৬০% জ্বালানি সরবরাহ হরমুজ প্রণালী নির্ভর নয় এমন অঞ্চল থেকে আসত। যা এখন বাড়িয়ে ৭০% করা হয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement