
দেশের নাগরিকদের গড় আয়ু বেড়েছে। কিন্তু তাই বলে রিটায়ারমেন্টের বয়স তো বাড়েনি। সেটা সেই ৬০-এই আটকে রয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, সিনিয়র সিটিজেন গ্রুপে পা গলানোর পর খাবেন কী? কোথা দিয়ে চলবে খরচ? বিশেষত, বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মরতদের মধ্যে এই চিন্তা রয়েছে তুঙ্গে।
তবে চিন্তা করে কিছু লাভ নেই। বরং আপনাকে নিতে হবে কিছু সঠিক পদক্ষেপ। তাহলেই অবসরের পরও হাসতে খেলতে কেটে যাবে জীবন। আর ভাল খবর হল, এমনই একটা সেরা স্কিম রয়েছে পোস্ট অফিসেরই। এক্ষেত্রে সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে টাকা জমালে বয়সকালে কোনও চিন্তা থাকবে না। ২০৫০০ টাকার গ্যারেন্টেড ইনকাম পাবেন।
জিরো রিস্ক
অনেকেই শেয়ারমার্কেটে বিনিয়োগ করার ঝুঁকি নিতে চান না। বরং তাঁরা কম রিটার্নেও রিস্ক ফ্রি জায়গায় টাকা রাখতে চান। আর বয়স্ক মানুষদের জন্য এমনই একটা বিকল্প এনেছে পোস্ট অফিস। তাদের পক্ষ থেকে সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম আনা হয়েছে। আর এই স্কিমে পেয়ে যেতে পারেন ৮.২ শতাংশ রিটার্ন।
১০০০ টাকা দিয়েই শুরু করতে পারেন
অনেকেই মনে করেন, এই স্কিমে বিনিয়োগ করতে বুঝি অনেক টাকা খরচ হবে। যদিও বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। আপনি মাত্র ১০০০ টাকা দিয়েও বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন। তাতেই পাবেন গ্যারেন্টেড ইনকাম। পাশাপাশি ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়ও পেতে পারেন।
এখানে বলে রাখি, এই স্কিমে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। তার বেশি করা যায় না। এছাড়া এই প্রকল্পে টাকা রাখতে গেলে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী হতে হয়। যদিও যাঁরা ভিআরএস নিয়েছেন, তাঁরা ৫৫ বছরেও এই স্কিমে টাকা রাখতে পারেন।
ম্যাচুরিটি ৫ বছরে
মাথায় রাখতে হবে যে পোস্ট অফিসের এই স্কিমের ম্যাচুরিটি পিরিয়ড হল ৫ বছর। অর্থাৎ একবার বিনিয়োগ করলে ৫ বছরের পরে টাকাটা তোলা যাবে না। যদি তার আগে টাকা তুলে নেন, তাহলে একটা পেনাল্টি দিতে হবে।
কীভাবে কমাবেন ২০৫০০ টাকা?
আপনি নিজের কাছকাছি কোনও পোস্ট অফিসে গিয়ে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তি যদি জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করেন এই স্কিমে, তাহলে তিনি ৫ বছর পর এই টাকাটা তুলে নিতে পারেন। অথবা তিনি আরও ৩ বছরের জন্য টাকাটা রাখতে পারেন।
এক্ষেত্রে এই হিসেবে টাকাটা পাবেন
বছরে ৮.২ শতাংশ হারে ৩০০০০০০ লক্ষ টাকার বার্ষিক সুদ হতে পারে ২৪৬০০০ টাকা।
কোয়ার্টার্লি পাবেন ৬১৫০০ টাকা।
আর মাসে পাবেন ২০৫০০ টাকা।