
Egg Price Hike: প্রতি বছরই শীত পড়লে ডিমের দাম কিছুটা বাড়ে। তবে এ বছর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে ডিমের দর! দামি ডিমের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বারাণসী। এর পরই এই তালিকায় রয়েছে লখনউ, মুজফ্ফরপুর আর পটনা। তবে মুম্বই, পুনে, সুরতের মুরগির ডিমের দামকে টেক্কা দিচ্ছে কলকাতা। দামি ডিমের তালিকায় দেশের মধ্যে পাঁচ নম্বরে রয়েছে এ শহরের নাম। বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর, ২০২৩) ন্যাশনাল এগ কোঅর্ডিনেশন কমিটির (NECC) প্রস্তাবিত হার অনুযায়ী, কলকাতায় এক জোড়া মুরগির ডিমের পাইকারি দর ১৩ টাকা ছাড়িয়েছে। খুচরো বাজারে দর আরও চড়া!
ডিসেম্বরের ২০ দিনে কলকাতায় ডিমের দাম কতটা বেড়েছে?
ডিসেম্বর মাস পড়তেই ডিমের দাম চড়চড় করে বাড়তে শুরু করেছে। ন্যাশনাল এগ কোঅর্ডিনেশন কমিটির (NECC) প্রকাশিত দামের তালিকা অনুযায়ী, ২ ডিসেম্বর কলকাতায় ১০০ পিস মুরগির ডিমের দাম যেখানে ৫৫৫ টাকা ছিল ২০ দিনে সেই দাম ১০০ টাকা বেড়ে গিয়েছে। আজ (২১ ডিসেম্বর, ২০২৩) কলকাতায় ১০০ পিস মুরগির ডিমের পাইকারী দাম ৬৫৫ টাকা হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক পিস ডিমের পাইকারী দাম ৬ টাকা ৫৫ পয়সা, জোড়া ১৩ টাকা ১০ পয়সা। দাম বৃদ্ধির পর এক ট্রে (৩০ পিস) মুরগির ডিমের পাইকারি ন্যূনতম দর ১৯৬ টাকা ৫০ পয়সা হচ্ছে। শহরের খুচরো বাজারে এক ট্রে ডিম ২১০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা।
দেশের কোন শহরে ডিমের দাম কত?
• দামি ডিমের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বারাণসী। ন্যাশনাল এগ কোঅর্ডিনেশন কমিটির (NECC) প্রস্তাবিত হার অনুযায়ী, আজ এখানে ১০০ পিস মুরগির ডিমের পাইকারি দর ৬৭৩ টাকা।
• এর পরেই দামি ডিমের তালিকায় রয়েছে রয়েছে লখনউ। এই শহরে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর, ২০২৩) ১০০ পিস মুরগির ডিমের পাইকারি দর ৬৬৭ টাকা।
• মহার্ঘ ডিমের তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুজাফফরপুর আর পটনা। সেখানে ১০০ পিস ডিমের পাইকারি দর গতকাল থেকে ৬৬৫ টাকা হয়ে গিয়েছে।
• এই তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে এলাহাবাদ। এই শহরে এখন ১০০ পিস ডিমের পাইকারি দর ৬৫৭ টাকা।
• দামি ডিমের তালিকায় দেশের মধ্যে পাঁচ নম্বরে রয়েছে কলকাতার নাম। বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর, ২০২৩) এখানে ১০০ পিস ডিমের পাইকারি দর ৬৫৫ টাকা।
রাজ্যে মুরগির ডিমের দাম বৃদ্ধির কারণ কী?
ডিসেম্বরে মুরগির ডিমের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন (WEST BENGAL POULTRY FEDERATION)-এর সাধারণ সম্পাদক মদন মোহন মাইতি জানান, মহামারী-পরবর্তী তিন বছরে খামারগুলিতে মুরগি প্রতিপালনের খরচ ৮৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে পরিবহণের খরচ। এরই প্রভাব পড়েছে ডিমের দামে। “তবে বছরের এই সময়টায় ডিমের দাম বৃদ্ধির কারণ অবশ্য আলাদা। কার্তিক মাস থেকে দেশজুড়ে ডিমের চাহিদা বাড়তে থাকে। ডিসেম্বরে কেকের উৎপাদন বৃদ্ধির প্রভাবে চাহিদা বাড়ে ডিমের। ডিসেম্বরে ডিমের উচ্চ চাহিদা আর যোগানের ফারাকে এই সময়টায় দাম কিছুটা বেড়ে যায়।”
মুরগির ডিমের দাম কবে নাগাদ কমতে পারে?
ডিমের দাম কমার প্রসঙ্গে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “প্রতি বছরই জানুয়ারির পর থেকে দেশজুড়ে ডিমের চাহিদা বেশ কিছুটা কমে। ফলে আশা করা যায় ফেব্রুয়ারি নাগাদ ডিমের দাম কিছুটা কমতে পারে।”