Advertisement

FD-ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টে টাকা রাখতে চাইছে না মানুষ, কারণ জানালেন SBI চেয়ারম্যান

ফিক্সড ডিপোজিট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা পোস্ট অফিস স্কিমের বদলে মানুষ বেশি রিটার্নের আশায় মিউচুয়াল ফান্ড, বিমা ও পেনশন ফান্ডে টাকা ঢালছে। তাঁর মতে, এই প্রবণতা সাময়িক নয়, বরং একটি কাঠামোগত পরিবর্তন, যা আর আগের জায়গায় ফিরবে না।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:01 PM IST

দেশের সঞ্চয়ের অভ্যাসে বড়সড় ও স্থায়ী পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান চল্লা শ্রীনিবাসুলু সেট্টি। দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ভারতের ঘরোয়া সঞ্চয় এখন ধীরে ধীরে ব্যাঙ্ক ডিপোজিটের গণ্ডি পেরিয়ে বাজার-নির্ভর বিনিয়োগের দিকে সরে যাচ্ছে। ফিক্সড ডিপোজিট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা পোস্ট অফিস স্কিমের বদলে মানুষ বেশি রিটার্নের আশায় মিউচুয়াল ফান্ড, বিমা ও পেনশন ফান্ডে টাকা ঢালছে। তাঁর মতে, এই প্রবণতা সাময়িক নয়, বরং একটি কাঠামোগত পরিবর্তন, যা আর আগের জায়গায় ফিরবে না।

এসব কারণে ব্যাঙ্কগুলির তহবিল সংগ্রহের কৌশল বদলানো ছাড়া উপায় নেই বলেও মন্তব্য করেন এসবিআই চেয়ারম্যান। তিনি জানান, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পের বৃদ্ধি ব্যাঙ্ক ডিপোজিট বৃদ্ধির তুলনায় প্রায় তিন গুণ দ্রুত। আর্থিক বাজারের গভীরতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রসার এই পরিবর্তনকে আরও গতি দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ব্যাঙ্কগুলিকে ক্যাপিটাল মার্কেটের দিকে ঝুঁকতে হবে বলে স্পষ্ট করেন সেট্টি। তাঁর বক্তব্য, ভবিষ্যতে ঋণ দেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কগুলিকে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও অন্যান্য বাজারভিত্তিক উপায়ে অর্থ সংগ্রহ করতে হবে, ঠিক যেমনটা আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় দেখা যায়। এতে ব্যাঙ্কগুলির লেন্ডিং স্ট্র্যাটেজি, সুদের হার ও মার্জিনের উপর প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি, ডিপোজিট বৃদ্ধির হার যদি ক্রেডিট বৃদ্ধির তুলনায় পিছিয়ে থাকে, তবে সম্পদ ব্যবস্থাপনাও আরও জটিল হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন

ভারতীয় অর্থনীতি প্রসঙ্গে এসবিআই চেয়ারম্যান বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ভারতের ভিত শক্ত রয়েছে। আর্থিক শৃঙ্খলা, পরিকাঠামো খাতে বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন বাণিজ্য চুক্তি দেশের অর্থনীতিকে সমর্থন জোগাচ্ছে। তাঁর আশা, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রায় ৭.৫ শতাংশে থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, গত ১২ থেকে ১৫ মাসে নীতি সুদে মোট ১২৫ বেসিস পয়েন্ট কাটের ফলে ঋণের সুদের হার অনেকটাই নরম হয়েছে এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার স্বাস্থ্যেরও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement