
২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য স্বস্তির প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে। সরকার ভারতীয় রেলে সিনিয়র সিটিজেনদের ছাড় পুনর্বহাল করার কথা বিবেচনা করছে। করোনার সময় এই সুবিধাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ বছর ধরে এটি বাস্তবায়িত হয়নি।
বাজেটের আগে অর্থ মন্ত্রক এবং রেল মন্ত্রকের মধ্যে এই প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা চলছে। অনুমোদিত হলে, বয়স্ক যাত্রীরা সস্তায় ট্রেনের টিকিট পেতে পারেন। ভারতীয় রেলওয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমাজকল্যাণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রবীণ নাগরিকদের টিকিটে ছাড় দিয়ে আসছে। ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষরা আগে টিকিটে ৪০% ছাড় পেতেন। ৫৮ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলাদের ভাড়ায় ৫০% ছাড় দেওয়া হত এই ছাড় স্লিপার, থার্ড এসি, সেকেন্ড এসি এবং ফার্স্ট এসি সহ সমস্ত শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্য ছিল। এই সুবিধাটি তিনটিতেই পাওয়া যেত - আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং রেলওয়ে কাউন্টার।
করোনার সময় কেন এই সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল?
করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে যখন ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন রেলের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হয়। সিনিয়র সিটিজেনদেরদের জন্য বার্ষিক ১,৬০০ থেকে ২,০০০ কোটি টাকার মধ্যে খরচ হয়। যদিও পরে ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালু হয় এবং ভাড়াও বাড়ানো হয়, এই ছাড়টি আর বাস্তবায়িত হয়নি।
২০২৬ সালের বাজেটে কী ঘোষণা করা যেতে পারে?
এখন যেহেতু মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে এবং বয়স্কদের ভ্রমণ ও চিকিৎসা ব্যয় ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই সরকার এই বিষয়ে নমনীয়তা দেখাতে পারে।
সূত্র বলছে, বাজেট-পূর্ব বৈঠকে এই প্রস্তাবটি আবার উঠে এসেছে এবং সরকার এটিকে একটি সামাজিক প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখছে।
ঐক্যমত্য তৈরি হলে, ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে।
ছাড় পুনর্বহাল হলে কারা উপকৃত হবেন?
- ৫৮ বছরের বেশি বয়সী নারী
- ৬০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ
- পেনশনভোগী এবং সীমিত আয়ের প্রবীণ নাগরিক
- দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণকারী প্রবীণ নাগরিক