
সাধারণত যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাড়ে সোনা এবং রুপোর দাম। তবে হচ্ছে পুরো উল্টো। হু হু করে দাম পড়ছে এই দুই ধাতুর। আর সোমবারও অবস্থাটা ঠিক একই রকম। যার ফলে অনেক টাকা লস হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের।
সোমবার মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ১৫০০০ টাকা দাম কমেছে রুপোর। ১ কেজি রুপোর দাম দাঁড়িয়েছে ২,১১,৭২৯ টাকা। আর এই অঙ্কটা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে যে নিজের অল টাইম হাই থেকে এই দুই ধাতুর দাম প্রায় ২ লক্ষ টাকা পড়ে গিয়েছে।
ও দিকে খারাপ অবস্থা রুপোরও। এটির এমসিএক্স ফিউচারে দাম পড়েছে প্রায় ৮ হাজার টাকা। যার ফলে এই দুই ধাতুর দাম এ দিন ৫ শতাংশ পর্যন্ত পড়েছে বলে খবর।
রুপোর দাম ২ লক্ষ টাকা কমেছে
সোমবার ৫ মে এক্সপায়ারির সিলভারের দাম ১৫,০৪৩ টাকা কমেছে। শুক্রবার এর দাম ছিল ২,২৬,৭৭২ টাকা। আর সেটা সোমবার ২,১১,৭২৯ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি সর্বোচ্চ দাম ছুঁয়েছিল রুপো। এটি পৌঁছে গিয়েছিল ৪,২০,০৪৮ টাকায়। তবে সেখান থেকে দাম অনেকটাই পড়ে গিয়েছে। এটি নেমে এসেছে ২,০৮,৯৩১ টাকা প্রতি কেজিতে।
প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের পর থেকেই রুপোর দাম তলানিতে এসেছে ঠেকেছে। এই মাসখানেকের যুদ্ধে প্রায় ৭০ হাজার পড়েছে দাম। যার ফলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বিনিয়োগকারীরা।
সোনার অবস্থাও খারাপ
শুধু রুপো নয়, সোনার দামেরও অবস্থাও খারাপ। এসিএক্স-এ এর দাম আজ ৮,০৮৯ টাকা পড়েছে। শুক্রবার ২ এপ্রিল এক্সপায়ারির ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ১,৪৪,৪৯২ টাকা। আর সোমবার সেটি নেমে এসেছে ১,৩৬,৪০৩ টাকায়।
কেন দাম পড়ছে?
যুদ্ধ চলছে। সাধারণত এই সময় সোনা এবং রুপোর দাম বাড়া উচিত। তবে হচ্ছে ঠিক উল্টো। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়া এবং ডলারের মূল্য বৃদ্ধিই সোনা এবং রুপোকে টেনে নামাচ্ছে।
তাই এমন পরিস্থিতিতে সাবধান হতে হবে। দেখেশুনে করতে হবে বিনিয়োগ। নইলে বিপদের শেষ থাকবে না।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।