
ইরানে যুদ্ধ চলছে। আর তার ফলেই কয়েক দিন পড়েছে ভারতের শেয়ারবাজার। কোটি কোটি টাকা হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে আজ ফের কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে মার্কেট। এ দিন ৪৪০ পয়েন্ট উঠে যায় সেনসেক্স। পৌঁছে যায় ৭৯৫৫৫ পয়েন্টে। ও দিকে একই হাল নিফটিরও। এটি ১৬০ পয়েন্ট বেড়েছে। এটি বেড়ে যায় ০.৬৫ পয়েন্ট। যার ফলে এটি ২৪৬৪০ পয়েন্টে পৌঁছে যায়। আর আজ নিফটি ব্যাঙ্কও বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বেড়েছে ২২০ পয়েন্ট।
সেনসেক্সের টপ ৩০টি স্টকের মধ্যে ১৬টি স্টক আজ উঠছে। পড়েছে ১৪টি। হিন্দুস্তান ইউনিলিভার এবং আইটি স্টকের হাল সবথেকে খারাপ। ও দিকে আজ রিলায়েন্সের শেয়ার বেড়েছে ৩ শতাংশ। এনটিপিসি ২.৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং টাটা স্টিল বেড়েছে ২ শতাংশ। আর মাথায় রাখতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই সেনসেক্স এবং নিফটি উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক বিনিয়োগকারী মনে করছেন যে এই যুদ্ধ হয়তো আর বেশিদিন চলবে না। তাই বাড়ছে সেনসেক্স ও নিফটি। যদিও এই বিষয়ে কোনও পাক্কা খবর কিন্তু নেই।
কেন উঠছে স্টক মার্কেট?
১. বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইতিমধ্যেই ভারতের শেয়ারবাজারের হাল হয়েছে খারাপ। এমন পরিস্থিতিতে গত ৩ দিনে বিনিয়োগকারীরা মোটামুটি ২২ লক্ষ কোটি টাকা হারিয়েছেন। আর এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই লোয়ার লেভেল থেকে শেয়ার কিনতে চাইছে।
২. আর শুধু ভারত নয়, ২.৫০ শতাংশ বেড়েছে জাপানের স্টক। আমেরিকাতেও মিশ্র ফলাফল মিলেছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। এমনকী টাকার দামও বেড়েছে ৫১ শতাংশ। এটি রয়েছে ৯১.৫৪ টাকায়।
৩. ওদিকে আবার ইন্ডিয়া ভিক্স ভোলাটিলিটি ইন্ডেক্সও অনেকটাই পড়েছে। এটি ১০ শতাংশের বেশি পড়েছে। এটি নেমে গিয়েছে ১৯.০৪ শতাংশে। আর এই সব কারণেই বেড়েছে ভারতের শেয়ারবাজার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কোন কোন সেক্টরে বৃদ্ধি?
এফএমসিজি, আইটি এবং টেলিকম সেক্টরের হাল খারাপ হয়েছে। বাদবাকি সব ক্ষেত্রই এগিয়ে গিয়েছে। তেল এবং গ্যাস সেক্টর বেড়েছে ৩.৩০ শতাংশ। এছাড়া নিফটি ফার্মা বৃদ্ধি পেয়েছে ১ শতাংশ। আবার অটো, ব্যাঙ্কিং এবং ফিনান্স সেক্টরও এগিয়ে গিয়েছে।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।