
পরপর দুই দিন গ্রিন জোনে ভারতের শেয়ারবাজার। বুধবার দিনের শুরুতেই সেনসেক্স এবং নিফটি বিরাট লাফ দেয়। সেনসেক্স ১২০০ পয়েন্ট উঠে ৭৫০০০-এর গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়। ও দিকে ৪০০ পয়েন্ট বাড়ে নিফটিও।
সকালের ট্রেডিংয়ের ট্রেন্ডে দেখা যায়, মোটামুটি ১৭৯৫টি স্টক গ্রিন জোনে ওপেন করে। মাত্র ৪৬৭টি স্টকের দাম পড়ে। ও দিকে ১৪৩টি স্টকের দাম ছিল একই।
শুরুতেই লাফায় সেনসেক্স, নিফটি
মঙ্গলবার সেনসেক্স ক্লোজিং করেছিল ৭৪,০৬৮ পয়েন্ট। আজ ওপেনিং হয় ৭৪,৬৫২ পয়েন্টে। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই এটা পৌঁছে যায় ৭৫,০০০ পয়েন্টে।
সেনসেক্সের মতোই লাফাতে শুরু করে নিফটিও। মঙ্গলবার এটি ক্লোজিং দিয়েছিল ২২৯১২ পয়েন্টে। আর বুধবার ওপেনিংয়েই এটা পৌঁছে যায় ২৩,০৬৪ পয়েন্টে। তারপর রকেটের গতিতে উঠতে থাকে সূচক। এটি ৪০০ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছে যায় ২৩,৩০৪ পয়েন্টে।
কোন কোন স্টকে বাম্পার লাভ?
আজ একাধিক স্টকে ভাল মুনাফা হয়েছে। এই যেমন ট্রেন্টের শেয়ার ৪ শতাংশ, আদানি পোর্টস শেয়ার ৩.৫০ শতাংশ, এলঅ্যান্ডটি শেয়ার ৩.২০ শতাংশ, বাজাজ ফিনান্স শেয়ার ৩ শতাংশ, টাইটন শেয়ার ২.৯০ শতাংশ, এমঅ্যান্ডএম শেয়ার ২.৮০ শতাংশ, এইচডিএফসি শেয়ার ২.৬০ শতাংশ, এসবিআই ২ শতাংশ, টাটা স্টিল ২ শতাংশ এবং ইন্ডিগো ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন বাড়ছে শেয়ারের দাম?
এর পিছনে মূলত তিনটি কারণের কথা তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা-
প্রথমত, সারা পৃথিবীতেই অপরিশোধিত তেলের দাম অনেকটাই কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০০ ডলারের নীচে নেমে গিয়েছে। ও দিকে ডব্লুটিআই ক্রুড অয়েলের দাম ৮৮.৬০ ডলার প্রতি ব্যারেলে নেমে এসেছে। আর সেটাই শেয়ার মার্কেটকে টেনে তুলছে।
দ্বিতীয়ত, ইরান যুদ্ধ নিয়েও ভাল খবর আসছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তারা এখন থেকে আর ইরানের এনার্জি সাইটে আক্রমণ চালাবে না। সেই কারণেও সেনসেক্স এবং নিফটি এগিয়ে যাচ্ছে বলে খবর।
তৃতীয়ত, এ দিন বাড়তে শুরু করেছে অন্যান্য দেশের শেয়ারবাজারও। জাপানের নিক্কেই ১৮০০ পয়েন্ট, হংকং-এর হ্যাংসেং ১০০ পয়েন্ট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপিও আজ ১১৪ পয়েন্ট উঠেছে। আর এই সব সূচকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ভারতের শেয়ারবাজারও।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।