
রাজ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে ‘দুয়ারে সরকার’-এর আদলে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করছে নবান্ন। রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে এই শিবির। তার আগে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী সমস্ত জেলাশাসকদের সঙ্গে প্রস্তুতি বৈঠক করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ‘স্বনির্ভর বাংলা’ কর্মসূচির আওতায় ‘যুবসাথী’, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ভূমিহীন ক্ষেতমজুর এবং অন্যান্য কৃষকদের জন্য এই ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ক্যাম্পের সময়সূচি
তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি
স্থান: রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র
সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা
ছুটির দিনে ক্যাম্প বন্ধ থাকবে
বিডিও অফিস, পুরসভার অফিস ছাড়াও যেখানে সাধারণ মানুষের ভিড় বেশি, সেই সব এলাকাতেও ক্যাম্প বসানো হবে।
কোন কোন দফতর থাকবে?
প্রতিটি ক্যাম্পে চারটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন
যুব কল্যাণ দফতর
কৃষি দফতর
বিদ্যুৎ দফতর
নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর
কারা আবেদন করতে পারবেন?
যুবসাথী প্রকল্পের আবেদনকারী
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা
ভূমিহীন ক্ষেতমজুর
কৃষকরা
অনলাইনে ফর্ম
নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে wbsportsandyouth.gov.in এবং sportsandyouth.wb.gov.in ওয়েসবাইটের উল্লেখ রয়েছে।
যোগ্য প্রার্থীদের সই করা করা আবেদনপত্র ক্যাম্পে জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
আবেদন করার সময় সঙ্গে আনতে হবে
আধার কার্ড
জাতিগত শংসাপত্র
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের প্রথম পাতার জেরক্স
মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডের জেরক্স
২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
প্রশাসনিক নির্দেশ
আবেদনপত্র গ্রহণের পর নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড করতে হবে। নথিপত্র যাচাই করে তবেই আবেদন গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সকাল ১০টার আগেই উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় থানার সহযোগিতা নিতে বলা হয়েছে।
অতিরিক্ত ঘোষণা
আগেই জানানো হয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে যুবসাথী, ভূমিহীন ক্ষেতমজুর এবং কৃষকদের জন্য সেচের জলের নির্ধারিত জলকর সম্পূর্ণ মকুব করা হবে। রাজ্য সরকারের দাবি, এই ক্যাম্পের মাধ্যমে একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।