
Hero Splendor Plus দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে বেস্ট সেলার। ১০০-১১০ সিসি কমিউটার মোটরসাইকেলের সেগমেন্টে জনপ্রিয় নাম। তবে এই একই সেগমেন্টে আরও কিছু বিকল্প রয়েছে। সেগুলির দামও প্রায় সমান বা আরও কম। কিন্তু ডিজাইন ও স্টাইলে কিছুটা হলেও অন্যরকম। বর্তমানে হিরো স্প্লেন্ডার প্লাসের এক্স-শোরুম দাম প্রায় ৭৪,০১৪ টাকা। সেই দামের আশেপাশেই বেশ কিছু আকর্ষণীয় মডেল রয়েছে। আসুন সেই ৫ অপশনের বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
১) Bajaj CT 110X (₹৬৭,৮৮৫, এক্স-শোরুম)
স্টাইল ও শক্তির দিক থেকে এটি স্প্লেন্ডারের থেকে খানিকটা আলাদা। ৯.৩ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করতে সক্ষম এই বাইক। বক্সার-স্টাইল ডিজাইন এবং মজবুত গঠন এটিকে গ্রাম ও শহর; দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। দামও তুলনামূলক কম, ফলে বাজেট ক্রেতাদের কাছে এটি আকর্ষণীয় বিকল্প।
২) TVS Star City Plus (₹৭২,৫০০, এক্স-শোরুম)
প্রিমিয়াম লুক ও আধুনিক ডিজাইন। সামনে ডিস্ক ব্রেকের অপশনও রয়েছে। ইঞ্জিন আউটপুট স্প্লেন্ডারের তুলনায় সামান্য বেশি। একই সঙ্গে দাম কিছুটা কম হওয়ায় স্টাইল ও সুরক্ষার দিক থেকে এটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
৩) Honda Shine 100 DX (₹৭১,৭৪৬, এক্স-শোরুম)
জাপানি প্রযুক্তি চাই? সেক্ষেত্রে এই বাইকটি একটি ভাল অপশন। সাদামাটা কিন্তু মার্জিত ডিজাইন এবং প্রায় সমমানের পাওয়ার আউটপুট এই মডেলকে জনপ্রিয় করেছে। দামও স্প্লেন্ডারের তুলনায় কিছুটা কম। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য উপযোগী ও জ্বালানি সাশ্রয়ী বলেই দাবি সংস্থার।
৪) Bajaj Platina 100 (₹৬৫,৮৯৭, এক্স-শোরুম)
কম খরচে নির্ভরযোগ্য বাইক চাইলে প্ল্যাটিনা ১০০ নজরে রাখতেই পারেন। ৮ হর্সপাওয়ার শক্তির এই বাইক মূলত আরামদায়ক রাইড ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য পরিচিত। এই তালিকায় সবচেয়ে কম দামের মডেলগুলির মধ্যে এটি অন্যতম।
৫) Hero Passion Plus (₹৭৬,৮৮৬, এক্স-শোরুম)
হিরো ব্র্যান্ডের প্রতিই আলাদা টান থাকলে এবং কিছুটা স্পোর্টি লুক চাইলে প্যাশন প্লাস বিবেচনা করা যেতে পারে। ইঞ্জিন আউটপুট প্রায় একই হলেও ডিজাইনে বেশি স্টাইলিশ ভাব রয়েছে। দাম স্প্লেন্ডারের থেকে সামান্য বেশি।
ভারতের কমিউটার বাইক বাজারে ১০০-১১০ সিসি সেগমেন্টে প্রতিযোগিতা যথেষ্ট তীব্র। জ্বালানি সাশ্রয়, রক্ষণাবেক্ষণের কম খরচ এবং রোজ ব্যবহারের সুবিধা; এই তিন কারণেই এই সেগমেন্ট জনপ্রিয়। স্প্লেন্ডার প্লাস দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে আস্থা অর্জন করেছে। তবে ক্রেতারা যদি একটু আলাদা ডিজাইন বা কম দামে বিকল্প খোঁজেন, তা হলে উপরোক্ত পাঁচটি মডেল বিবেচনা করতে পারেন।
বাইক কেনার আগে অবশ্যই নিকটবর্তী শোরুমে গিয়ে টেস্ট রাইড করুন। সেই সুযোগ না থাকলে, চেনা পরিচিত কারও বাইক নিয়ে ১০-১৫ মিনিট চালিয়ে দেখুন। এরপরেই ফাইনাল ডিশিসন নিন। আর কেনার আগে শোরুমে গিয়ে অনরোড প্রাইস যাচাই করে নিন।