Advertisement

Voter Card Address Change: ভোটার কার্ডে কীভাবে এক ক্লিকে ঠিকানা বদলাবেন? জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য

Voter ID Card Important Information: আপনার ভোটার কার্ডে নির্দিষ্ট ভুল-ত্রুটি শুধরে নিন। বিশেষ করে যদি ঠিকানা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা কীভাবে করবেন, জেনে নিন সেই তথ্য।

ভোটার কার্ডভোটার কার্ড
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Aug 2025,
  • अपडेटेड 4:58 PM IST

সরকারি ভাবে দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা ইতিমধ্যেই বেজে গিয়েছে এই রাজ্যে। কখনও তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিজেপি ও বামেদের আক্রমণ শানা হচ্ছে তো, কখনও, বাম, বিজেপি বা কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে সরকারি দলকে একাধিক দায় চাপিয়ে আক্রমণ করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, সব থেকে বড় যে বিষয়টি নিয়ে এখন সকলের মাথা ব্যথা তা হল SIR। এই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে গোটা রাজ্যে সঠিক ভোটার খোঁজার কাজ চলবে।

বাংলায় দিন ঘোষণা না হলেও, বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বাদ পড়ছে ৬৭ লক্ষ ভোটারের নাম। বাংলায় এই সংশোধনের কাজ শুরু হলে, এই পদ্ধতি মেনে চলা হবে। আর তাই নিয়েই এখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। আপনিও, আপনার ভোটার কার্ডে নির্দিষ্ট ভুল-ত্রুটি শুধরে নিন। বিশেষ করে যদি ঠিকানা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা কীভাবে করবেন, জেনে নিন সেই তথ্য।

অনলাইন ও অফলাইন পদ্ধতি

ভোটার কার্ডে ঠিকানা পরিবর্তন অনলাইন ও অফলাইন, দুই পদ্ধতিতেই করা যায়। তবে, অনলাইনে যদি আপনার কাছে নির্দিষ্ট প্রমাণপত্র থাকে, তাহলে অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। অন্যদিকে, অফলাইনে আবেদন করতে হলে, আপনাকে যেতে হবে নিকটবর্তী বিএলও অফিসে। সেখানে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ফর্ম ফিলআপ করে, তার সঙ্গে নতুন ঠিকানার প্রমাণ জমা দিতে হয়।

কাজের জায়গা পরিবর্তন, নতুন বাড়ি তৈরি করে সেখানে উঠে যাওয়া, মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে যাওয়া সহ একাধিক কারণে ভোটার কার্ডে ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়। যদিও, আগের তুলনায় এই কাজ এখন অনেকটাই সহজ হয়েছে। 

অনলাইনে ভোটার কার্ডে ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য কী করবেন?  

১) প্রথমে মোবাইলে ক্রোম ব্রাউজারটা ওপেন করতে হবে। 

২) সেখানে voters.eci.gov.in-এ গিয়ে ফোন নম্বর ও ক্যাপচা কোড দিয়ে ওটিপি জেনারেট করতে হবে। 

Advertisement

৩) তারপর সেই ওটিপিটা দিয়ে লগ ইন করতে হবে। লগ ইন করলেই, সেখানে দেখতে পাবেন একাধিক অপশনের সঙ্গে রয়েছে ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ফর্ম-৮(Form-8)। ৪) সেখানে ক্লিক করতেই দেখতে পাবেন একটা নতুন উইন্ডো খুলে যাবে।

৫) সেখানে আপনি ঠিকানা পরিবর্তন নিজের জন্য করতে চাইছেন, তা আপনার পরিবারের কারও জন্য করতে চাইছেন সেই নির্দিষ্ট বক্সে ক্লিক করতে হবে। 

৬) তারপর, বর্তমান ভোটার কার্ডের এপিক নম্বরটি সেখানে ভরতে হবে।   

৭) এপিক নম্বর দিয়ে এন্টার করতেই দেখতে পাবেন আপনার আগের ঠিকানা দেখাচ্ছে সেখানে। সেই সঙ্গে নিচে রয়েছে একটি ওকে অপশন। 

৮) ওকে অপশনে ক্লিক করতেই, একটা পপ-আপ উইন্ডো খুলবে, যেখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি অফশন। আপনাকে বেছে নিতে হবে প্রথমটি ঠিকানা পরিবর্তন বা Shifting of Residence।

৯) নির্দিষ্ট বিষয়টিতে ক্লিক করলেই দেখা যাবে নিচে অপশন আসছে, ওই বিধানসভার মধ্যেই নাকি বর্তমান বিধানসভা এলাকার বাইরে ঠিকানা পরিবর্তন করতে চাইছেন। 

১০) সঠিক  ওপশনটি বেছে নিয়ে ওকে করলেই, এবার খুলে যাবে একটি ফর্ম। এই ফর্মটি খুব মন দিয়ে ভর্তি করতে হবে। সমান্য ভুল হলেই, আবেদনপত্রটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

১১) আবেদনপত্র বা ফর্মটির প্রথমেই রয়েছে কোন রাজ্যে পরিবর্তন করতে চাইছেন এবং সেই সঙ্গে কোন জেলায়। 

১২) এরপর থাকবে, বিধানসভা কেন্দ্রের নম্বর এবং বিধানসভা কেন্দ্রের নাম। 

১৩) এগুলো ভর্তি করে নেক্সট করলেই দেখা যাবে, নিচে আপনার বা যার পরিবর্তন করতে চাইছেন ঠিকানা তাঁর নাম ও ভোটার নম্বর দেখাচ্ছে। তার নিচে রয়েছে আধার নম্বর দেওয়ার জায়গা। সেটা ভর্তি করে এবং মোবাই নম্বর ও মেইল আইডি দিয়ে ভর্তি করতে হবে। 

১৪) এখানে মনে রাখতে হবে, নিজের জন্য পরিবর্তন করতে চাইলে, মোবাইল নম্বর ও মেইল আইডির ক্ষেত্রে সেল্ফ(Self) অপশনে ক্লিক করতে হবে। আর, বাবা, মা, স্ত্রী, স্বামী ও সন্তানের ক্ষেত্রে পাশের অপশনটি ক্লিক করে ভর্তি করতে হবে। 

১৫) আবারও নেক্সট করতেই, আসবে, নতুন ঠিকানা দেওয়ার জায়গা। এখানে আধারকার্ড হোক বা যে কোনও সরকারি প্রমাণপত্রে, যেখানে সঠিক ঠিকানা লেখা রয়েছে সেই অনুসারে ভর্তি করতে হবে। কোনও ধরনের ভুল তথ্য দিলে, বাতিল হয়ে যাবে আবেদনটি। 

১৬) এই অংশটি সঠিক ভাবে ভর্তি করার পর, নিচে একটি সিলেক্ট অপশন আসবে। সেখানে আপনার ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে যে ডকুমেন্ট আপনি দিতে চান সেটা বেছে নিতে হবে। এক্ষেত্রে, আধার কার্ড, পাসপোর্ট, জল, বিদ্যুত বা গ্যাসের লাইনের বিলের কপি দিতে পারলে সব থেকে ভালো। এগুলির মধ্যে যে কোনও একটির জেরক্স করে তাতে নিজে নাম লিখে স্ক্যান করে আপলোড করে দিন। 

১৭) এরপর, সংশ্লিষ্ট জায়গায় তারিখ ও এলাকার নাম লিখে, ক্যাপচা কোড ভর্তি করে জমা করে দিন ফর্ম। 

১ মাসের মধ্যে নতুন ভোটার কার্ড 

ফর্মটি জমা করা মাত্রই, আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইলে একটি এসএমএস আসবে। যেখানে থাকবে একটি রেফারেন্স নম্বর। এই নম্বরটি সযত্নে রেখে দিন। ৪৫ দিন পর, নির্বাচন কমিশন থেকে আরও একটি এসএমএস আসবে, যেখানে আপনাকে কোথায় গিয়ে এই রেফারেন্স নম্বর ও সংশ্লিষ্ট অরিজিনাল প্রমাণপত্র নিয়ে দেখা করতে হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। সেখানে গিয়ে প্রমাণপত্র দেখিয়ে কনফার্ম করলেই, ১ মাসের মধ্যে বাড়িতে চলে আসবে নতুন ভোটার কার্ড। 

অফলাইন পদ্ধতি 

অন্যদিকে, অফলাইনে, এই আবেদন করতে আপনাকে যেতে হবে বিএলও অফিসে। সেখানে গিয়েও একই ভাবে ফর্ম-৮ ভর্তি করে ঠিকানার প্রমাণপত্র জমা করে আসতে হবে।


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement