Advertisement

SIR Hearing: এখনও SIR শুনানি হয়নি, ফাইনাল লিস্টে বাদ যাবে নাম? কমিশন যা জানাচ্ছে

বাংলায় চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন। এই প্রক্রিয়ার একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোটারদের শুনানির কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে কমিশন। যদিও যতদূর খবর, এখনও কিছু ভোটারের শুনানি বাকি রয়েছে। তাঁরা ভুগছেন দুশ্চিন্তায়। তাঁদের রক্তচাপ বাড়ছে। 

SIR হিয়ারিংSIR হিয়ারিং
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:12 PM IST
  • বাংলায় চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন
  • এই প্রক্রিয়ার একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে
  • এখনও কিছু ভোটারের শুনানি বাকি রয়েছে

বাংলায় চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন। এই প্রক্রিয়ার একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোটারদের শুনানির কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে কমিশন। যদিও যতদূর খবর, এখনও কিছু ভোটারের শুনানি বাকি রয়েছে। তাঁরা ভুগছেন দুশ্চিন্তায়। তাঁদের রক্তচাপ বাড়ছে। 

এখন প্রশ্ন হল, যাঁদের এখনও শুনানি বাকি রয়েছে তাঁদের কী হবে? তাঁদের কি নাম বাদ চলেই যাবে ফাইনাল ভোটার লিস্ট থেকে? এই বিষয়টা সম্পর্কেও বিশদে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

কী হবে? 
শুনানির সময় বৃদ্ধির জন্য আগেই কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগরবাল। আর তাঁর কথা শুনেছে কমিশন। তাই শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে শুনানির সময়। এই সময়ের মধ্যেই হিয়ারিং শেষ করা হবে। তারপর শুরু হবে স্ক্রিটুনি। এরপর বেরবে ফাইনাল ভোটার লিস্ট। এই লিস্ট ২৮ ফেব্রুয়ারি বের করা হবে বলে জানান হয়েছে।

মাথায় রাখতে হবে যে চলতি সপ্তাহের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরনোর কথা ছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর রাজ্যের দেওয়া মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে কমিশনকে। যার ফলে তাদের পক্ষে আর কোনওভাবেই এই সময়ের মধ্যে স্ক্রুটিনির কাজ শেষ হবে না। তারপর কমিশনের পক্ষ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে ভোটকেন্দ্রের পনর্বিন্যাস। তাই ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের করার সময়টা বাড়িয়ে ২৮ তারিখ করা হল। 

হিয়ারিং নিয়ে ভয় নয়
অনেকেই হিয়ারিং নিয়ে ভয় পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টা নিয়ে ভয় পেতে বারণ করছে কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে হিয়ারিং খুব সাধারণ একটি প্রক্রিয়া। এই নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এক্ষেত্রে কমিশনের বলে দেওয়া নথিগুলি নিয়ে হাজির হতে হবে। তাহলেই সমস্যা নেই। 

  • ১৯৮৭ সালের আগের ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা LIC-এর নথি
  • সরকারি চাকরির কোনও আইডি কার্ড
  • বার্থ সার্টিফিকেট
  • পাসপোর্ট
  • মাধ্যমিক বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট
  • ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট
  • SC, ST, OBC সার্টিফিকেট
  • স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া বাসস্থানের সার্টিফিকেট
  • NRC-এর সার্টিফিকেট
  • পারিবারিক রেজিস্টার
  • সরকারের দেওয়া জমি, বাড়ির দলিল
  • আধার কার্ড
  • মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড

তাই সবার আগে এই কার্ডগুলি জোগার করুন। তাতেই নাম কাটা যাওয়ার ভয় থাকবে না। 

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement