
শেয়ারবাজারের খারাপ সময় আর কাটছে না। আজ আবার পড়ল সেনসেক্স এবং নিফটি। এ দিন একটা সময় সেনসেক্স নেমে যায় ৬০০-পয়েন্টের বেশি। এটি ৮১,৭০০ পয়েন্টের নীচে ট্রেড করতে থাকে। আর নিফটি ২০০ পয়েন্ট তলিয়ে যায়। এটি ট্রেড করে ২৫,৩০০ পয়েন্টে। ও দিকে নিফটি ব্যাঙ্কও ৫০০ পয়েন্ট পড়েছে। যার ফলে ৩.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা মার্কেট থেকে উবে গিয়েছে বলে খবর।
টপ ৩০ বিসই স্টকসের মধ্যে আজ ২৪টির অবস্থা খারাপ। মাত্র ৬টি উঠেছে। এ দিন এয়ারটেল, ইন্ডিগো এবং মারুতিতেভারী লস হয়েছে। ২ শতাংশের মতো পড়েছে এই স্টকগুলি। আইটি, মিডিয়া, তেল এবং গ্যাস বাদে অন্যান্য সব সেক্টরই নেগেটিভে ট্রেড করছে।
এই স্টকটা অনেকটাই পড়েছে
আজ প্রায় ১১ শতাংশ কমেছে রেনেসাঁর শেয়ার। এটি ১৩০ টাকারও কমে ট্রেড করছে। এছাড়া ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ এবং বিশাল মেগা মার্ট পড়েছে ৭ শতাংশ। কারুর বৈশ্য পড়েছে ৫ শতাংশ। টাটা কমিউনিকেশন ড্রপ করেছে ৪ শতাংশ।
কেন পড়ছে শেয়ারবাজার?
১. আজ সারা বিশ্বের শেয়ারবাজারেরই অবস্থা খারাপ। আমেরিকার এস অ্যান্ড পি ৫০০ এবং ইউরোপীয় মার্কেট তলিয়ে গিয়েছে। এছাড়া এশিয়ার মার্কেটের হালও ছিল খারাপ। সেই মতো ভারতের শেয়ারবাজারেও চাপ দেখা গিয়েছে।
২. ভারতীয় মার্কেট থেকে নিয়মিত শেয়ার বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। আর সেই ট্রেন্ড এখনও চলছে।
৩. ইন্ডিয়া ভিক্স ফিয়ার ইন্ডেক্সও ৩ শতাংশ বেড়েছে। এটি রয়েছে ১৩.৪৪ শতাংশ। যার ফলে ভয় বাড়ছে। মার্কেটে দেখা যাচ্ছে অস্থিরতা।
৪. বড় বড় স্টক আজ পড়েছে। এগুলির শেয়ারবাজারে অনেকটা ভার রয়েছে। যার সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে তলিয়ে গিয়েছে শেয়ারমার্কেট।
কী অবস্থা?
এ দিন ৪১৪৪টি স্টকের মধ্যে মাত্র ১৪৮৩ স্টক বেড়েছে। আর ২৪৭৫টি শেয়ারের দাম কমেছে।
এখন কী করবেন?
এই সময় একটু সাবধানে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, এখন মার্কেটে অস্থিরতা রয়েছে। তাই সবদিক বিবেচনা করেই বিনিয়োগ করুন। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সেটা না চাইলে নিজেই রিসার্চ করুন। তাহলেই পরিস্থিতি হাতের নাগালে আসবে।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।