
আশা মতো হল না ফল। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কমাল না সুদের হার। রেপো রেট রইল অপরিবর্তীত। আর এই খবর চাউর হওয়ার পরই পড়তে শুরু করল শেয়ারবাজার। সেনসেক্স নেমেছে ৩৫০ পয়েন্ট। এটি ট্রেড করছে ৮৩,০০০ পয়েন্টের নীচে। এছাড়া ১৫০ পয়েন্ট তলিয়ে গিয়েছে নিফটিও। এটি ২৫,৫০০ পয়েন্টের নীচে নেমে গিয়েছে।
তবে শুধু স্টক মার্কেট নয়, ও দিকে সোনা এবং রুপোর অবস্থাও খারাপ। মাল্টি কমোডিটি মার্কেটে রুপো নেমেছে ১২,০০০ টাকা। এটির দাম এখন ২.২৯ লক্ষ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া ২০০০ টাকা পড়ে গিয়েছে সোনার দামও। পাশাপাশি সোনা, সোনার ইটিএফ-এও পতন এসেছে ২ শতাংশের মতো। আর সিলিভার ইটিএফ নেমে গিয়েছে ৬ শতাংশ।
যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, শুধু রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘোষণার প্রভাবে এই ক্র্যাশ হয়নি। বরং বিশ্ব বাজারে সোনা এবং রুপোর দাম পড়াতেই এই অবস্থা। এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ কমেক্সে ২০ শতাংশ নেমে গিয়েছে রুপোর দাম। যার ফলে আজ ভারতের বাজাতে খারাপ অবস্থা সিলভারের।
৬৩টা স্টক লোয়ার সার্কিটে রয়েছে
সেনসেক্সের ৩৩৪৮টি স্টকের মধ্যে ১১৭০টি স্টক উপরের দিকে গিয়েছে। যদিও ২০১৭ স্টক ট্রেড করছে নীচে। এছাড়া ১৬১টি স্টকের দাম বাড়েওনি, আবার কমেওনি। ওদিকে ৪১টি স্টক ৫২ সপ্তাহ হাইতে রয়েছে। এছাড়া ৪৫টি স্টক রয়েছে ৫২ সপ্তাহের নীচে। অন্যদিকে ৮২টি স্টক আপার সার্কিট এবং ৬৩টি স্টক লোয়ার সার্কিটে রয়েছে।
কেন এই সব স্টকের দাম পড়ল?
বৃহস্পতিবারের ট্রেডিং সেশনে ওয়াল স্ট্রিটে খুব বড় সেলিং হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার মার্কেটেও। বৃহস্পতিবার ডাও জোনস ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এভারেজ কমে যায় মোটামুটি ৬০০ পয়েন্ট। এছাড়া এস অ্যান্ড পি ৫০০ পড়ে যায় ৫০০ পয়েন্ট। যার ফলে আইটি স্টকের অবস্থা হয়েছে খারাপ।
রেপো রেট রয়েছে অপরিবর্তীত
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মলহোত্রা নতুন রেপোরেট ঘোষণা করেছেন। সেখানে এই রেট অপরিবর্তীত ৫.২৫ শতাংশ রাখা হয়েছে। যার সহজ অর্থ হল, এর ফলে ইএমআই-এর দাম কমবে না।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।