
ভারতে ক্রমশ বাড়ছে ইলেট্রিক স্কুটারের চাহিদা। জ্বালানির দাম বাড়তে থাকা ও দূষণের কারণে এই ধরণের স্কুটার বাজার দখল করতে শুরু করেছে। সে কারণেই কেনার আগে জেনে নেওয়া দরকার কোন স্কুটার কিনলে আপনার লাভ হবে। যদিও সেটা নির্ভর করছে আপনার প্রয়োজনের উপর। দূর দূরান্তে যেতে হলে কিনতে পারেন এই স্কুটার।
ব্যাটারি, মোটর ও পারফরম্যান্স
পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে EC-06-এ রয়েছে একটি ইন্টেরিয়র পার্মানেন্ট ম্যাগনেট সিনক্রোনাস মোটর (IPMSM) এবং ৪ kWh ব্যাটারি প্যাক। এই সেটআপ থেকে সর্বোচ্চ ৬.৭ কিলোওয়াট শক্তি ও ২৬ এনএম টর্ক পাওয়া যায়। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, স্কুটারটি একবার চার্জে ১৬৯ কিলোমিটার (IDC) পর্যন্ত চলতে পারে এবং সর্বোচ্চ গতি ৭৯ কিমি/ঘণ্টা।
চার্জিং টাইম ও ওয়ারেন্টি
চার্জিংয়ের জন্য আলাদা কোনও ফাস্ট চার্জারের প্রয়োজন নেই। সাধারণ হোম পাওয়ার সকেটেই প্রায় ৮ ঘণ্টায় ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ করা সম্ভব। ব্যাটারির উপর ৩ বছর বা ৩০,০০০ কিলোমিটারের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে ইয়ামাহা।
কোন কোন শহরে পাবেন এই স্কুটার?
২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রথমবার সামনে আসা EC-06 মডেলটি বিক্রি হবে ইয়ামাহার ব্লু স্কয়ার ডিলারশিপ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। প্রাথমিক পর্যায়ে চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, মুম্বাই এবং পুনের মতো বড় শহরে বিক্রি শুরু হবে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য মেট্রো ও টিয়ার-১ শহরেও এই ইলেকট্রিক স্কুটারের উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
রাইডিং মোড ও ব্রেকিং সিস্টেম
রাইডিংয়ের সুবিধার জন্য EC-06-এ রয়েছে তিনটি মোড—ইকো, স্ট্যান্ডার্ড ও পাওয়ার। টাইট পার্কিং বা সংকীর্ণ জায়গায় চালনার সুবিধায় দেওয়া হয়েছে রিভার্স মোডও। সাসপেনশনে সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক ও পিছনে কয়েল স্প্রিং, আর ব্রেকিংয়ের জন্য CBS সহ ২০০ মিমি ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে।
স্মার্ট ফিচার ও স্টোরেজ
ডিজিটাল অভিজ্ঞতা বাড়াতে রয়েছে রঙিন LCD ডিসপ্লে, LED লাইটিং এবং স্মার্টফোন কানেক্টিভিটি। দৈনন্দিন ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে সিটের নিচে দেওয়া হয়েছে ২৪.৫ লিটার স্টোরেজ, যেখানে হেলমেট বা প্রয়োজনীয় জিনিস রাখা যাবে।