Advertisement

Yubasathi Registration Begins: শুরু যুবসাথীর ক্যাম্প, কতদিন চলবে-কী কী নথি লাগবে? জানুন এক ক্লিকেই

অন্তবর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেইমতো আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়েই পুরোদমে শুরু হয়ে গেল যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ। আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। এই প্রকল্পের অধীনে মাধ্যমিক পাস বেকার যুবক-যুবতীদের মাসিক ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাজ্য সরকার।

 শুরু যুবসাথীতে আবেদনের শিবির শুরু যুবসাথীতে আবেদনের শিবির
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Feb 2026,
  • अपडेटेड 3:25 PM IST

অন্তবর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।  সেইমতো আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়েই পুরোদমে শুরু হয়ে গেল যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ। আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। এই প্রকল্পের অধীনে মাধ্যমিক পাস বেকার যুবক-যুবতীদের মাসিক ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। 

আজ থেকে শুরু রেজিস্ট্রেশন
আজ থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন শুরু হয়েছে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বসছে ক্যাম্প। সেখানেই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। যেখানেই যুবসাথী প্রকল্পের ক্যাম্প  বসছে সেখানেই এই প্রকল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করা যাবে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে।

কটা থেকে কটা পর্যন্চ চলবে ক্যাম্প?
রবিবার থেকে রাজ্য জুড়ে চারটি সামাজিক প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার জন্য শিবির শুরু করsছে রাজ্য সরকার৷ এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে স্বনির্ভর বাংলা৷ যুবসাথী, ক্ষেত-মজুরদের আর্থিক সাহায্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো চারটি প্রকল্পের জন্য এই শিবিরগুলি থেকে নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে৷ প্রতিটি বিধানসভায় স্বনির্ভর বাংলার একটি করে শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে৷ এই শিবিরগুলিতে যুবসাথী, ক্ষেত-মজুরদের আর্থিক সাহায্য এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করা যাবে৷ এর পাশাপাশি কৃষিকাজের জন্য সরকারি টিউবওয়েল অথবা সেচ প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য ফি মকুবেরও আবেদন করা যাবে এই শিবিরগুলি থেকে৷ এই শিবিরগুলি ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে৷ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবিরগুলি খোলা থাকবে৷

এপ্রিল থেকেই মিলবে টাকা
যুবসাথী প্রকল্পে আগামী এপ্রিল মাস থেকে বেকার যুবক-যুবতীদের মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা করবে রাজ্য সরকার৷ এবারের অন্তবর্তী বাজেটেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে৷ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও মাসিক ভাতা ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০০ করা হয়েছে৷ ক্ষেত-মজুরদের আর্থিক সাহায্য প্রকল্পে বছরে দু'বার ২ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য পাবেন ভূমিহীন কৃষি শ্রমিকরা৷

Advertisement

 আবেদন করতে কী যোগ্যতা লাগবে? রইল বিস্তারিত-
আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। আবেদনকারীকে মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এই প্রকল্পে শুধুমাত্র কর্মহীন প্রার্থীরাই অর্থ সাহায্য পাবেন। কর্মহীন প্রার্থীরা সর্বাধিক ৫ বছর পর্যন্ত এই আর্থিক সাহায্য পাবেন। স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ বা রূপশ্রী, শিক্ষাশ্রী প্রকল্পের সুবিধাভোগীরাও এই প্রকল্পে অর্থ সাহায্য পাবেন। সরকারি বা বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মরতরা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত নন। এ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের উপভোক্তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। অর্থাৎ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষক ভাতা যাঁরা পেয়ে থাকেন, তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

আবেদন করবেন কী ভাবে?
২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভায় ক্যাম্প করা হয়েছে। ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের ন্যায় বাংলার যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন গ্রহণের জন্যেও শিবিরের আয়োজন করেছে রাজ্য সরকার। সেখানেই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন পত্র পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রকল্পে অনলাইনে আবেদন করার জন্যে এখনই কোনও পোর্টাল চালু করা হয়নি। তবে  ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে www.wbsportsandyouth.gov.in ওয়েবসাইটে এই প্রকল্পের শুধুমাত্র আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। যুবসাথী প্রকল্পের নাম করে ইতিমধ্যে প্রচুর ভুয়ো ওয়েবসাইট বা পোর্টাল তৈরি হয়েছে। সেই পোর্টালগুলি থেকে বিরত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন?
এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য যে যে নথি প্রস্তুত রাখতে হবে সেগুলি হলো—
১) আধার কার্ড
২) মাধ্যমকি বা সমতুল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড
৩) শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র
৪) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস
৫) পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাম্প্রতিক ছবি)
৬) আপনার মোবাইল নম্বর (ওটিপি ও স্ট্যাটাস সংক্রান্ত কাজের জন্য)

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। বিধানসভাভিত্তিক ক্যাম্পগুলি থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহ করার পরে যথাযথ নথি দিয়ে আবেদন জমা করতে হবে। আবেদন গ্রহণ হওয়ার পরে উপভোক্তার মোবাইল নম্বরে এই সংক্রান্ত এসএমএস পাঠিয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। উপভোক্তারা কোনও কর্মক্ষেত্রে যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement