
যুবসাথী প্রকল্প ঘোষণা করে রাজ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বহু যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে ত্রিশোর্ধ্ব ব্যক্তিরাও এই প্রকল্পের লাভ নিতে মুখিয়ে রয়েছেন। ফলে যুবসাথী এখন বাংলার 'হট টপিক'। এরইমধ্যে রবিবার থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ ক্যাম্প। ‘দুয়ারে সরকার’-এর আদলে স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পের মাধ্যমে এই পরিষেবা জনতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ক্যাম্পের বিষয়ে জানুন: ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ ক্যাম্প। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ক্যাম্প চলবে। ছুটির দিন বাদে প্রতিদিনই ক্যাম্প চলবে। যুবসাথীর আবেদন অনলাইনে জমা করা যাবে না। বরং অফলাইনে ক্যাম্পে গিয়েই আপনাকে ফর্ম জমা দিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর জানিয়েছেন, প্রথমে ভাবা হয়েছিল অনলাইনেই পুরো প্রক্রিয়াটা সারা হবে। তবে পরে তার থেকে বেরিয়ে এসে অফলাইনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কোথায় কোথায় ক্যাম্প বসবে?
রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। শিবিরগুলির নাম দেওয়া হয়েছে স্বনির্ভর বাংলা৷ রাজ্য সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ক্যাম্পের স্থানের নাম দিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলা, বিধানসভা ও ব্লক ভিত্তিক এই ক্যাম্পগুলির আয়োজন করা হয়েছে।
আপনার এলাকায় কোথায় ক্যাম্প বসবে দেখুন:
প্রথমে নীচের লিঙ্কে গিয়ে নিজের জেলা বেছে নিন, এরপর বিধানসভার নাম সিলেক্ট করবেন। এরপরে বেছে নেবেন ব্লক/লোকাল বডি অপশন। সেখানেই আপনার বিধানসভা এলাকায় কোথায় কোথায় ক্যাম্প হচ্ছে, তার তালিকা পেয়ে যাবেন। দেওয়া রইল লিঙ্ক - https://apas.wb.gov.in/ds11/public/page/KnowYourCampLocation.aspx
আবেদন করার সময় কোন কোন নথি লাগবে?
কারা পাবেন না এই প্রকল্পের সুবিধা?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানান, স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস, ঐক্যশ্রী বা মেধাশ্রীর মতো সরকারি স্কলারশিপ পান তাদেরও মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। তবে অন্য কোনও স্কিমে টাকা না পেলে, আগামী ৫ বছর ১৫০০ টাকা করে পাওয়া যাবে। পাঁচ বছরে চাকরি না পেলে নাম রিনিউ করা হবে। তারপর ফের যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পাবেন। তবে লক্ষ্মী ভাণ্ডার বা কন্যাশ্রীর মতো স্কিম থাকলে তারা টাকা পাবেন না। আবেদনকারী বর্তমানে কোনও সরকারি বা বেসরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকলে পাবেন না।