
এখন বাংলায় অন্যতম চর্চিত বিষয় হল যুবসাথী প্রকল্প। রাজ্য বাজেটের দিন এই স্কিমটা প্রথমে ঘোষণা করেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি জানান যে রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবক-যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন এই প্রকল্পে। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এই স্কিমের নানা বিষয় সম্পর্কে বিশদে জানান।
তিনি জানিয়ে দেন, ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এই স্কিম। এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য যেতে হবে ক্যাম্পে। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২৯৪টি হবে ক্যাম্প। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে ক্যাম্প। অর্থাৎ এই সোমবার থেকেই ক্যাম্পে যেতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, ঠিক কতক্ষণ চলবে এই ক্যাম্প? আর সেই বিষয়টাও জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কতক্ষণ চলবে ক্যাম্প?
দিনের যে কোনও সময় ক্যাম্পে গিয়ে কোনও লাভ হবে না। বরং আপনাকে সরকারের বলে দেওয়া সময়ে ক্যাম্পে যেতে হবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ক্যাম্প। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন বাদ দিয়ে এই ক্যাম্প খোলা থাকবে।
ক্যাম্পে মিলবে ফর্ম
যুবসাথীর আবেদন অনলাইনে জমা করা যাবে না। বরং অফলাইনে ক্যাম্পে গিয়েই আপনাকে ফর্ম জমা দিতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর জানিয়েছেন, প্রথমে ভাবা হয়েছিল অনলাইনেই পুরো প্রক্রিয়াটা সারা হবে। তবে পরে তার থেকে বেরিয়ে এসে অফলাইনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কতদিন মিলবে টাকা?
প্রথমে মনে করা হচ্ছিল, ১৫০০ টাকা মিলবে ৫ বছরের জন্য। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়টাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রথমে ৫ বছরের জন্য মিলবে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা। তারপরও যদি চাকরি না মেলে, তাহলে আবার রিনিউ হবে।
স্কলারশিপের সঙ্গে সমস্যা নেই
অনেকেই মনে করছেন স্কলারশিপ পেলে এই টাকা মিলবে না। যদিও বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। বৃত্তি পেলেও অনায়াসে পাবেন যুবসাথীর টাকা। তবে অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পে মাসিক টাকা পেলে এই ভাতা মিলবে না।
কী কী ডকুমেন্ট নিয়ে যাবেন?
যতদূর খবর, এই সব ডকুমেন্ট সঙ্গে নিয়ে গেলে কাজ হবে-