
পোর্টালে চেক করলেই অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে ‘সাকসেসফুল’। অথচ টাকা ঢুকছে না অ্যাকাউন্টে। যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনকারী একাধিক এখন মহা ফাঁপরে পড়েছেন। তাহলে কি আর মিলবে না দেড় হাজার টাকা বেকার ভাতা?
যুবসাথীর আবেদন করার পর যে মেসেজটি পাওয়া যাচ্ছে সেটি মূলত প্রাপ্তি স্বীকার বা অ্যাকনলেজমেন্ট মেসেজ। অর্থাৎ কারও আবেদন সফল ভাবে সরকারি পোর্টালে জমা পড়েছে। কিন্তু এই মেসেজ পাওয়া মানেই টাকা পাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত ভাবে নিশ্চিত নয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যুবসাথীর টাকা ঢোকার আগে আলাদা করে মেসেজ যাবে। কনফার্মেশন মেসেজেই যুবসাথী টাকার অঙ্ক (১৫০০) সহ বিস্তারিত লেখা থাকবে। তবে এই মেসে মিলবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই। একাধিক ভুয়ো আবেদন জমা পড়ায় সরকারের পক্ষ থেকে এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। নথিপত্র যাচাই কবে তবেই সব আবেদনকারীর নাম ট্রেজারিতে পাঠানো হচ্ছে। সেখানে ব্যাঙ্ক ডিটেলসের সঙ্গে আধারের তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। তথ্য মিললে তবেই পেমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তবে কারা টাকা না-ও পেতে পারেন?
> বয়সের সীমাবদ্ধতা: আবেদনকারীর বয়স ২১ বছরের নীচে হলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
> নথিতে ভুল: যদি আবেদনকারীর আপলোড করা নথির সঙ্গে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাকি তথ্যের অমিল হয়, তাহলে টাকা মিলবে না।
> ব্যাঙ্ক ডিটেলসে ত্রুটি: ট্রেজারিতে ডেটা এন্ট্রির সময়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা IFSC-তে ভুল থাকলে পেমেন্ট ফেল হতে পারে।
অনলাইনে আবেদনকারীদের পক্ষে প্রক্রিয়া অপেক্ষাকৃত সরল হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রার্থীরা নিজেরাই তথ্য দেন, ফলে সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার বা DBT সহজেই করা যায়। এক্ষেত্রে ভুলের মাত্রা কম হয়। অফলাইন ফর্মে ম্যানুয়ার ডেটা এন্ট্রির প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ সরকারি আধিকারিকদের দেওয়া তথ্যগুলি সিস্টেমে নতুন করে টাইপ করতে হয়। ম্যানুয়াল কাজের কারণে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। ফলে অনেক সময় অফলাইন আবেদনকারীদের টাকা পেতে অহেতুক দেরি হচ্ছে। আর পেমেন্টও আটকে থাকছে।
সবচেয়ে মোবাইলে একটি ‘ক্লেম’ মেসেজ আসবে। এই মেসেজ পাওয়ার ২ দিনের মধ্যেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যুবসাথীর ১৫০০ টাকা ঢুকে যাবে।