
বেঙ্গালুরু-দিল্লি ফ্লাইটে মদ্যপ ব্যক্তির তাণ্ডব। সেই ব্যক্তি নিজের সিটে বসতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। যার জন্য ফ্লাইটের ভিতর শুরু হয়ে যায় বিশৃঙ্খলা। এই কারণে ফ্লাইটও বিলম্বিত হয়। যার ফলে অন্যযাত্রীরা অসুবিধার সম্মুখীন হন বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনার একটি ছোট্ট ক্লিপ কর্নাটক পোর্টফোলিও নামক একটি X প্রোফাইলে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অন্যযাত্রীরা নিজের পেটে বেল্ট বেঁধে প্লেন টেক অফের আশা করছেন। আর ঠিক তখনই ওই ব্যক্তি তর্ক করতে শুরু করে দেন। তিনি নিজের সিটে বসতে অস্বীকার করেন। এমনকী তিনি চিৎকার করতে শুরু করে। ক্রুদের কোনও কথাই তিনি শোনেন না। তার ফলেই প্লেন ছাড়তে দেরি হয় বলে অভিযোগ।
এই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, 'ক্রুরা খুব শান্তভাবে ঘটনা সামালানোর চেষ্টা করেছে (তাদের জন্য রয়েছে সম্মান)। কিন্তু বিশৃঙ্খলাটি চলছিল।' সেই ক্যাপশনে আরও লেখা হয়, 'মানুষ রেকর্ড করছে, কেউ হাসছে, কেউ বিরক্ত হয়েছে, কেউ চুপচাপ টেকঅফের জন্য প্রার্থনা করছে। অবশেষে, পরিস্থিতি সামালানো গিয়েছে। কিন্তু এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার যে একজন ব্যক্তি কীভাবে পুরো ফ্লাইটের যাত্রীর যাত্রা বিলম্ব করিয়ে দিল।'
ভাইরাল হয়েছে ভিডিও
এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। তার কমেন্টে অনেকেই অনেকেই বিমানবন্দর এবং এয়ারলাইন প্রোটোকল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, 'ডোমেস্টিক টার্মিনালে মদ বিক্রি হয় না। যদি এই লোকটি এত মাতাল হয়ে আসে, তাহলে সিআইএসএফ তাকে সিকিউরিটি ক্রস করার অনুমতি দিল কীভাবে?'
অন্য একজন যোগ করেছেন, 'দরজায় ক্রুরা কেবল আপনাকে স্বাগত জানানোর জন্য দাঁড়ায় না। তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ যে কোনও যাত্রীকে প্রবেশ না করতে দেওয়ার ট্রেনিং পেয়েছে। ওই যাত্রীকে বোর্ডিং করতে দেওয়া উচিত হয়নি।'
অন্যরা কঠোর পরিণতির আহ্বান জানিয়েছে: 'যাত্রীকে স্থায়ীভাবে বিমানে ওঠার ক্ষেত্রে ব্ল্যাক লিস্ট করে দেওয়া উচিত।'
আরও একজনের বক্তব্য, ' আশা করি ওই ব্যক্তি এক বছরের জন্য নো-ফ্লাই তালিকায় থাকবেন। যাতে তিনি তার এই ধারণার কাজ নিয়ে চিন্তা করতে পারেন।'
তবে এখনও জানা যায়নি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এমনকী এয়ারলাইন্স এই বিষয়টা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।