Advertisement

Anugrah Narayan Road Ghat Station: ২৭ বছরে একটিও টিকিট বিক্রি হয়নি এই স্টেশনে, শুধু পিতৃপক্ষেই ট্রেন দাঁড়ায়, রহস্যটা কী? 

বিশ্বাস করা কঠিন হলেও, এই স্টেশনে টানা ২৭ বছর ধরে একটিও টিকিট বিক্রি হয়নি। বছরের প্রায় ৩৫০ দিন এখানে নীরবতা থাকে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 3:46 PM IST
  • ভারতীয় রেলকে বলা হয় দেশের লাইফলাইন।
  • দূরদূরান্তের গ্রাম থেকে শহর, সবকিছুকেই যুক্ত করে রাখে এই রেলব্যবস্থা।

ভারতীয় রেলকে বলা হয় দেশের লাইফলাইন। দূরদূরান্তের গ্রাম থেকে শহর, সবকিছুকেই যুক্ত করে রাখে এই রেলব্যবস্থা। সাধারণত রেলস্টেশন মানেই যাত্রীদের ভিড়, সারাদিন ট্রেনের আনাগোনা। কিন্তু বিহারে এমন একটি রেলস্টেশন রয়েছে, যার গল্প শুনলে সত্যিই অবাক হতে হয়। বিশ্বাস করা কঠিন হলেও, এই স্টেশনে টানা ২৭ বছর ধরে একটিও টিকিট বিক্রি হয়নি। বছরের প্রায় ৩৫০ দিন এখানে নীরবতা থাকে।

এই স্টেশনটি যেন বছরে মাত্র ১৫ দিনের জন্যই ‘জেগে ওঠে’। কী কারণে এমনটা হয়, সেই রহস্যই তুলে ধরা যাক।

বিহারের ঔরঙ্গাবাদ জেলায় অবস্থিত এই স্টেশনের নাম অনুগ্রহ নারায়ণ রোড ঘাট স্টেশন। এটি মূল অনুগ্রহ নারায়ণ রোড স্টেশন থেকে আলাদা এবং আকারে খুবই ছোট। স্টেশনটি এতটাই জরাজীর্ণ যে এখানে কোনও স্টেশন মাস্টার, কর্মচারী বা টিকিট কাউন্টার নেই। বহু বছর ধরেই কাউন্টার বন্ধ, তবুও প্রতি বছর রেল দফতরকে লিখিত নির্দেশ জারি করে জানাতে হয়, পিতৃপক্ষের সময় এখানে ট্রেন থামাতে হবে।

ধর্মীয় বিশ্বাসেই প্রাণ ফিরে পায় স্টেশন
এই প্রশ্ন স্বাভাবিক, কর্মী নেই, যাত্রী নেই, তা হলে ট্রেন কেন থামে? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে ধর্মীয় বিশ্বাসে। স্টেশনটি পুনপুন নদীর ঘাটের একেবারে কাছে। হিন্দু ধর্মে পিতৃপক্ষের সময়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ ও পিণ্ডদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আচার, আর পুনপুন ঘাট সেই কাজের জন্য বিশেষভাবে পবিত্র বলে মানা হয়।

পিতৃপক্ষের এই ১৫ দিনে দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ এখানে আসেন পিণ্ডদান করতে। সেই বিপুল ভিড়ের কথা মাথায় রেখেই রেলওয়ে বিশেষভাবে এই সময় ট্রেন থামানোর ব্যবস্থা করে। তখনই স্টেশনটি কিছুদিনের জন্য প্রাণ ফিরে পায়।

১৫ দিনের পর ফের নীরবতা
পিতৃপক্ষ শেষ হলেই আবার নিস্তব্ধ হয়ে যায় অনুগ্রহ নারায়ণ রোড ঘাট স্টেশন। বছরের বাকি সময় ট্রেন এই লাইনে চলাচল করলেও এখানে আর থামে না। নিয়মিত যাত্রী না থাকায় রেলওয়ে কোনও কর্মী বা টিকিট কাউন্টার রাখার প্রয়োজন মনে করেনি। ফলে প্রায় ৩৫০ দিন ধরে স্টেশনটি পড়ে থাকে জনশূন্য, পরের বছরের পিতৃপক্ষের অপেক্ষায়।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement