
ডিজিটাল যুগে প্রতিভার সংজ্ঞা আমূল বদলে গেছে। একসময় যেখানে মঞ্চ, স্টুডিও কিংবা খেলার মাঠই ছিল সাফল্যের মাপকাঠি, আজ সেখানে ভিউ, লাইক ও ফলোয়ারই হয়ে উঠেছে ক্ষমতার কেন্দ্র। সেই বাস্তবতারই এক বিতর্কিত উদাহরণ উঠে এসেছে কানাডিয়ান সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার জুলিয়া অ্যান-এর ঘটনায়।
সম্প্রতি জুলিয়া দাবি করেছেন, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট এবং অনলাইন জনপ্রিয়তার জোরেই তিনি পেয়েছেন ‘অসাধারণ দক্ষতাসম্পন্ন শিল্পীদের’ জন্য নির্ধারিত মার্কিন O-1B ভিসা। বিষয়টি ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়, যখন তিনি প্রকাশ্যে বলেন, 'আমার স্তনই আমাকে এই ভিসা এনে দিয়েছে।' এই মন্তব্যই তাঁকে এনে দিয়েছে আন্তর্জাতিক শিরোনামে।
২৫ বছর বয়সি জুলিয়া অ্যান তাঁর ভিসা আবেদনের সময় ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্ম বা পুরস্কারের বদলে তুলে ধরেন নিজের ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিপুল অনলাইন জনপ্রিয়তাকে। আবেদনের সঙ্গে তিনি একাধিক ভিডিও জমা দেন, যেখানে তাঁকে লো-কাট শার্ট পরে ক্যামেরার সামনে হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে কথা বলতে ও খাবার খেতে দেখা যায়।
জুলিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন, এই ভিডিওগুলিই মার্কিন প্রশাসনের কাছে তাঁর 'প্রতিভার প্রমাণ' হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ব্রিটেনের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি মজার ছলে বলেন, 'হয়তো আমার একমাত্র প্রতিভাই আমার বড় স্তন।'
শেষ পর্যন্ত তাঁর আবেদন গৃহীত হয়। ২০২৪ সালে যাঁরা O-1B ভিসা পেয়েছেন, তাঁদের প্রায় ২০ হাজার জনের তালিকায় জায়গা করে নেন জুলিয়া।