Advertisement

Vande Bharat Sleeper Speed: ১৮০ কিমি গতিতে ছুটছে বন্দে ভারত স্লিপার, নড়ছে না জলভর্তি গ্লাস, অবিশ্বাস্য Video

ভারতীয় রেলওয়ে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের স্পিড ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন করে একটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে। কোটা-নাগদা সেকশনে পরিচালিত পরীক্ষার সময়, ট্রেনটি প্রতি ঘন্টায় ১৮০ কিলোমিটার গতিতে ছুটেছে। রেলওয়ে সুরক্ষা কমিশনারের (CRS) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ট্রেনটির নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রেনের ভিতরে 'ওয়াটার টেস্ট' তার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং শক-মুক্ত যাত্রা প্রদর্শন করেছে।

ভিডিও পোস্ট স্বয়ং রেলমন্ত্রীরভিডিও পোস্ট স্বয়ং রেলমন্ত্রীর
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 01 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:01 PM IST


ভারতীয় রেলের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত হল। দেশের সবচেয়ে আধুনিক এবং প্রিমিয়াম ট্রেন, বন্দে ভারত-এর স্লিপার সংস্করণ, ট্র্যাকে তার দক্ষতা প্রমাণ করেছে। মঙ্গলবার, রাজস্থানের কোটা-নাগদা রেল সেকশনে বন্দে ভারত স্লিপারের একটি উচ্চ-গতির পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যেখানে ট্রেনটি প্রতি ঘন্টায় ১৮০ কিলোমিটার গতিতে ছুটছিল। রেলওয়ে নিরাপত্তা কমিশনারের (CRS) সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই স্লিপার ট্রেনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পরীক্ষাটি করা হয়েছিল। এই পরীক্ষাটি কেবল গতি পরীক্ষা করার জন্যই নয়, বরং এত উচ্চ গতিতেও যাত্রীদের যাত্রা যাতে নিরাপদ এবং আরামদায়ক থাকে তা নিশ্চিত করার জন্যও ছিল।

 

ওয়াটার টেস্ট সবাইকে অবাক করে দিল
এই পরীক্ষার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল ট্রেনের ভেতরে পরিচালিত 'ওয়াটার টেস্ট'। রেলওয়ে কর্মকর্তারা ট্রেনের ভেতরে জল ভর্তি একটি গ্লাস রেখে দেখালেন যে ১৮০ কিমি/ঘন্টা গতিতেও কম্পন (Vibration) না থাকার সমান। গ্লাস থেকে এক ফোঁটাও জল পড়েনি। এই পরীক্ষা প্রমাণ করে যে এই নতুন প্রজন্মের ট্রেনটি কেবল দ্রুতগতির নয়, এর সাসপেনশন প্রযুক্তিও বিশ্বমানের।

নতুন বন্দে ভারত স্লিপারটি কেমন?
বন্দে ভারত স্লিপারটি দূরপাল্লার ভ্রমণের জন্য তৈরি। এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এটিকে অন্য যেকোনও ট্রেন থেকে আলাদা করেছে:

  • উন্নত কুশনিং: আসন এবং বার্থ আগের তুলনায় আরও আরামদায়ক করা হয়েছে।
  • আধুনিক সুযোগ-সুবিধা: প্রতিটি কেবিনে সেন্সর-ভিত্তিক আলো, চার্জিং পয়েন্ট এবং ডেডিকেটেড রিডিং লাইট রয়েছে।
  • নিরাপত্তা: ট্রেনটিতে 'কবচ' নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রতিটি কোচে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং জরুরি অ্যালার্ম বোতাম রয়েছে।
  • সাউন্ডপ্রুফিং: ট্রেনের ভেতরে বাইরের শব্দ কমাতে বিশেষ ইনসুলেশন ব্যবহার করা হয়েছে।

কোটা-নাগদা সেকশন কেন?
কোটা-নাগদা সেকশনটি তার সোজা এবং শক্তিশালী ট্র্যাকের জন্য পরিচিত, যা এটিকে উচ্চ-গতির পরীক্ষার জন্য আদর্শ করে তোলে। এখানকার ট্র্যাকগুলি ১৮০-২০০ কিমি/ঘন্টা গতি সহ্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই সফল পরীক্ষার পর, আশা করা হচ্ছে যে শীঘ্রই সাধারণ যাত্রীরা এই ট্রেনে রাতের ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।

বন্দে ভারত স্লিপারের সফল পরীক্ষা 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-এর আরেকটি বড় সাফল্য। এই ট্রেনটি কেবল সময় সাশ্রয় করবে না বরং ভারতীয় রেলকে বিশ্বের সেরা রেল পরিষেবাগুলির মধ্যে স্থান দেবে। ১৮০ কিমি/ঘন্টা গতি এবং ঝাঁকুনিমুক্ত যাত্রা এখন আর ভারতীয়দের জন্য কেবল স্বপ্ন নয়, বরং বাস্তবতা।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement