
খোদ নিজের দলের কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। এদিন সন্দেশখালিতে ক্রাণ দিতে গিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার মদলে তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এমনকী ত্রাণ লুঠপাঠও করা হয়। গোটা ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ রাজ্যের মন্ত্রী। গোটা বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
সন্দেশখালিতে আক্রান্ত গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী । সঙ্গে থাকা ত্রান সামগ্রী লুঠের পাশাপাশি শারীরিক নিগ্রহের শিকার হন বলে দাবি মন্ত্রীর । শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া পেট্রোল পাম্পের কাছে কলকাতা বাসন্তী রোডের উপর। ঘটনার জেরে ত্রাণ না দিয়েই ফিরে যান মন্ত্রী। সাম্প্রতিক ঘুর্ণীঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় জমিয়ত উলেমা হিন্দের তরফ থেকে ত্রান সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এলাকার মানুষের মধ্যে বিলি করার উদ্দেশ্যে। যার মধ্যে ছিলো চাল, ডাল ,তেল, মশলা, ত্রিপল, শাড়ি ও কাপড়। অভিযোগ, দুপুর ২ টো নাগাদ সরবেড়িয়া পেট্রোল পাম্পের কাছে গাড়িটিকে আটকায় এলাকার কয়েকজন তৃণমূল নেতা এলাকার মানুষের ত্রাণের প্রয়োজন নেই, এই কথা বলে ত্রান ভর্তি গাড়িটি থেকে ত্রান লুঠ করতে থাকে এলাকার তৃণমূল নেতা কর্মীরা। এমনকি তারা বলে এলাকার তৃণমূল নেতা শেখ সাজাহানের অনুমতি ছাড়া এলাকায় কোন ত্রান দেওয়া যাবেনা। এমনটাই দাবি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর। তাঁর অভিযোগ, গাড়িচালককেও মারধর করা হয়।
বিষয়টি দেখে জমিয়ত উলেমা হিন্দের রাজ্য সম্পাদক তথা রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী গাড়ি থেকে নেমে প্রতিবাদ করেন। মন্ত্রীর অভিযোগ, "গাড়ি থেকে নামা মাত্র এলাকার তৃণমূল নেতা কর্মীরা তাঁর উপর চড়াও হয়। তাকে ধাক্কা মারা হয়। ধাক্কা দিয়ে বলে তুই গাড়িতে ওঠ না হলে তোর গাড়ি ভেঙে দেবো। আমার গাড়ির চাবি কেড়ে নিয়েছে । লোকাল থানা ভয়ে আসেনি। আমি নবান্নে ডিজি কন্ট্রোলকে জানিয়েছি। আমার প্রাইভেট সেক্রেটারি প্রদীপ আগারওয়াল এসডিপিও বসিরহাট কে জানিয়েছে। মূল মস্তান হল শেখ শাজাহান। দল যদি রশি ছেড়ে দেয় সিদ্দীকুল্লার মুখ কিন্তু বন্ধ থাকবে না। এই নৈরাজ্য আমি পছন্দ করিনা।"