Advertisement

Alipurduar School Premises Death: অসুস্থ প্রেমিকাকে ফেলে চম্পট প্রেমিকের, ঝড়-বৃষ্টিতে রাতে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু

সোমবার রাতের দুর্যোগের মধ্যে বিনা চিকিৎসায় ধুঁকতে ধুঁকতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ওই মহিলা। মঙ্গলবার সকালে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের পূর্ব কাঁঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পারপাতলাখাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অসুস্থ প্রেমিকাকে ফেলে চম্পট প্রেমিকের, ঝড়-বৃষ্টিতে রাতে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুঅসুস্থ প্রেমিকাকে ফেলে চম্পট প্রেমিকের, ঝড়-বৃষ্টিতে রাতে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 17 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:50 PM IST

Alipurduar School Premises Death: মানবিকতা ও ভালোবাসার চরম অবক্ষয় দেখল আলিপুরদুয়ার। সাতসকালে স্কুলের বারান্দা থেকে উদ্ধার হলো এক মহিলার নিথর দেহ। অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ প্রেমিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নাম করে রাতের অন্ধকারে জনশূন্য স্কুলের বারান্দায় ফেলে রেখে গা ঢাকা দিয়েছে তার প্রেমিক।

সোমবার রাতের দুর্যোগের মধ্যে বিনা চিকিৎসায় ধুঁকতে ধুঁকতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ওই মহিলা। মঙ্গলবার সকালে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের পূর্ব কাঁঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পারপাতলাখাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম ফুলো মুন্ডা (৩৫)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফালাকাটার বাসিন্দা অর্জুন মুন্ডার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে প্রায় বছরখানেক আগে বিহারে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন ফুলো। সেখানে থাকাকালীন তিনি মারণ রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে নিয়ে ফালাকাটায় ফিরে আসে অর্জুন। সোমবার রাতে ফুলোকে তাঁর দিদি মালতী মুন্ডার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বোনের জীর্ণ দশা দেখে মালতী দেবী তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার অনুরোধ জানান অর্জুনকে। কিন্তু অভিযোগ, অর্জুন সেই রাতে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্জন বারান্দায় অসুস্থ ফুলোকে ফেলে রেখে চম্পট দেয়।

মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্কুলের বারান্দায় দেহটি পড়ে থাকতে দেখে সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দেন। সোমবার রাতের প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে খোলা বারান্দায় পড়ে থেকে চিকিৎসা না পেয়েই ফুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। মৃতার দিদির দাবি, তাঁর বোনের মৃত্যুর জন্য অর্জুনই দায়ী। তিনি বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে আমরাও বুঝতে পারিনি ও এমন কাজ করবে। বোনকে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে মরার জন্য ফেলে রেখে পালাল ও। আমরা অর্জুনের কঠোর শাস্তি চাই।’ এদিন সরকারি ছুটি থাকায় স্কুলে কোনও পড়ুয়া ছিল না, যা অর্জুনের পালানোর কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং অভিযুক্ত প্রেমিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement