Advertisement

Bangladeshi Intruder Arrested: প্রেম করতে ভুয়ো নথি বানিয়ে ভারতে, তিন বছরের জেল বাংলাদেশি যুবকের

Bangladeshi Intruder Arrested: মামলা চলাকালীন রায়গঞ্জে থাকা তারেকের কয়েকজন আত্মীয় তাঁকে ভারতীয় নাগরিক প্রমাণ করতে আধার কার্ড, প্যান কার্ড ও জন্মশংসাপত্র পেশ করেন। কিন্তু নথি যাচাই করতেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জন্মশংসাপত্রে যাঁদের বাবা-মা হিসেবে দেখানো হয়েছিল হাসেন আলি ও রুকসানা বিবিকে। তাঁরা লিখিতভাবে জানান, তারেক তাঁদের সন্তান নন।

Aajtak Bangla
  • রায়গঞ্জ,
  • 06 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:27 AM IST

Bangladeshi Intruder Arrested: প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছিলেন এক বাংলাদেশি যুবক। শেষ পর্যন্ত সেই প্রেমই তাঁকে পৌঁছে দিল কারাগারে। উত্তর দিনাজপুর জেলা আদালতের এডিজে ফার্স্ট কোর্ট বুধবার তারেক মহম্মদ নামে ওই যুবককে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ডের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারেকের বাড়ি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর এলাকায়। গত বছরের মার্চ মাসে রায়গঞ্জের ভাটোল এলাকার নোনাব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে গ্রেফতার করে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে দেখা যায়, তাঁর কাছে ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথিপত্র নেই। পরে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা রুজু করে এপ্রিল মাসে চার্জশিট দাখিল করে ভাটোল থানার পুলিশ।

মামলা চলাকালীন রায়গঞ্জে থাকা তারেকের কয়েকজন আত্মীয় তাঁকে ভারতীয় নাগরিক প্রমাণ করতে আধার কার্ড, প্যান কার্ড ও জন্মশংসাপত্র পেশ করেন। কিন্তু নথি যাচাই করতেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জন্মশংসাপত্রে যাঁদের বাবা-মা হিসেবে দেখানো হয়েছিল হাসেন আলি ও রুকসানা বিবিকে। তাঁরা লিখিতভাবে জানান, তারেক তাঁদের সন্তান নন। সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতও জানিয়ে দেয়, ওই জন্মশংসাপত্র তারা ইস্যু করেনি।

আরও পড়ুন

বিচারকের নির্দেশে হাসেন আলি ও রুকসেনা বিবিকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে হাজির করা হলে এজলাসেই তাঁরা তারেককে সন্তান হিসেবে অস্বীকার করেন। এর পরেই ধৃতের জামিনের আবেদন খারিজ হয় এবং মামলা এডিজে ফার্স্ট কোর্টে পাঠানো হয়। বিচারক রোহন সিনহা ফরেনার্স অ্যাক্টের ১৪এবি ধারায় তারেককে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন।

সরকারি আইনজীবী স্বরূপ বিশ্বাস জানান, আদালতে পেশ করা সমস্ত ভারতীয় পরিচয়পত্র ভুয়ো প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি রায় ঘোষণার পরেও অনুতাপের লেশমাত্র ছিল না ধৃতের মুখে। হাসতে হাসতে সে বলে, “প্রেম করতে এসেছিলাম।”

Read more!
Advertisement
Advertisement