Advertisement

Suvendu Adhikary Chakri Chay Bangla: 'মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যাঁরা এপাং-ওপাং-ঝপাং করেন, তাঁদের ডাবল চাকরি হয়েছে', অভিযোগ শুভেন্দুর

Suvendu Adhikary Chakri Chay Bangla: সভা থেকে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছে, যুবসমাজ কর্মহীন। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডবল চাকরি দেবেন বলেছিলেন। বরং বদলে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আমলা ও আধিকারিকদের ক্ষেত্রে চলছে তথাকথিত ‘ডবল চাকরি’ সংস্কৃতি।

শুভেন্দু অধিকারীশুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Feb 2026,
  • अपडेटेड 7:10 PM IST

Suvendu Adhikary Chakri Chay Bangla: “পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার”, এই স্লোগানকে সামনে রেখে কলকাতার ধর্মতলায় ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ডাকে আয়োজিত ‘চাকরি চায় বাংলা’ কর্মসূচিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

সভা থেকে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছে, যুবসমাজ কর্মহীন। তাঁর অভিযোগ, 'ক্ষমতায় আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডবল চাকরি দেবেন বলেছিলেন। বরং বদলে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আমলা ও আধিকারিকদের ক্ষেত্রে চলছে তথাকথিত ‘ডবল চাকরি’ সংস্কৃতি। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজীব কুমার, মনোজ পন্থ, হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর মতো শীর্ষ আমলারা অবসরের পর ফের সবেতন দায়িত্ব পেলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যে জোটে না চাকরি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যারা সফরে যান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যাঁরা এপাং-ওপাং-ঝপাং করে বেড়ান, তাঁদের ডাবল চাকরি হয়েছে, অভিযোগ শুভেন্দুর।'

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে নিয়োগে ওএমআর শিটে পূর্ণ স্বচ্ছতা আনা হবে।পরীক্ষার পর অনলাইনে দেখা যাবে পরীক্ষার্থী কতগুলি উত্তর লিখেছেন। একই সঙ্গে অভিযোগ তোলা হয়, ২০১৫ সালের পর রাজ্যে কার্যত এসএসসি হয়নি, বড় কোনও সরকারি নিয়োগও হয়নি। শিল্পায়নের ক্ষেত্রেও শাসকদলের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বলা হয়, টাটার মতো শিল্পকে তাড়িয়ে দেওয়ার ফলেই বাংলায় শিল্প ও কর্মসংস্থান মুখ থুবড়ে পড়েছে। সভা থেকে লক্ষ লক্ষ পোস্টকার্ড পাঠানোর ডাক দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে, যাতে কেন্দ্রীয় উদ্যোগে শিল্পায়ন ও চাকরির পথ খুলে যায়।

আরও পড়ুন

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও কর্মসংস্থান ইস্যুতে বিজেপি নেতারা তীব্র অভিযোগ তুলেছেন, জানা যায়, বহু প্রার্থী নিয়োগের সুযোগ হারান এবং নতুন নিয়োগ ও নিয়োগপদ্ধতির স্বচ্ছতার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলন হয়েছে। নেতারা বলেন, বর্তমানে নিয়োগে ওএমআর শিটে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিলে পরীক্ষার পর অনলাইনে দেখা যাবে পরীক্ষার্থীরা কতটি উত্তর লিখেছেন। এছাড়া তাঁরা অভিযোগ করেন যে রাজ্যে শিল্পায়নের অভাব ও বড় শিল্প সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ না হওয়ায় যুবসমাজের জন্য চাকরির সৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মসূচিতে লক্ষ লক্ষ পোস্টার প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানোর ডাকও দেওয়া হয় যাতে কেন্দ্রীয় উদ্যোগে চাকরি ও শিল্পায়ন নিশ্চিত করা যায়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement