
Malda TMC Agitation: মালদহের চাঁচলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা শেষ হতেই উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। শনিবার সন্ধ্যায় চাঁচল থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি তথা প্রাক্তন পুলিশ কর্তা প্রসূন ব্যানার্জির নেতৃত্বে কর্মী-সমর্থকেরা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তৃণমূল সূত্রে দাবি, চাঁচলের কলমবাগান এলাকায় অনুষ্ঠিত সভার মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন। অভিযোগ, ওই বক্তব্যে একজন রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
এ ঘটনার পরই তৃণমূল নেতৃত্ব দ্রুত থানায় গিয়ে বিষয়টি পুলিশের নজরে আনেন। প্রসূন ব্যানার্জির তরফে জানানো হয়, প্রকাশ্য সভা থেকে করা মন্তব্যে একাধিক ধারায় আইনভঙ্গের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানো হয়েছে। প্রসূন ব্যানার্জি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে ব্যক্তিগত কুৎসা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর দাবি, জনসভা থেকে এমন মন্তব্য সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক শালীনতার পরিপন্থী।
তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, সভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ঘিরে বিভাজনমূলক ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর বলে মনে করছে শাসকদল। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিবাদও চলবে বলে জানানো হয়েছে। চাঁচল থানার সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বিজেপির তরফে এখনও এই অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এই ঘটনার পর মালদহের রাজনৈতিক আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দুই শিবিরের তরফেই আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
রিপোর্টার: মিলটন পাল