Advertisement

Darjeeling Bus Problem: পাহাড়ে স্পেশাল পারমিট বন্ধ, পরিবহণমন্ত্রীর দ্বারস্থ বাস মালিকরা

Darjeeling Bus Problem: পাহাড়ি এলাকায় যানজট এড়াতে বড় গাড়ির জন্য স্পেশাল পারমিট দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে সরাসরি জেলার বাস ব্যবসায়ীদের উপর। তাঁদের অভিযোগ, বছরের এই সময়টাতেই সামান্য বাড়তি রোজগার হয়। এবার সেই পথ কার্যত রুদ্ধ।

Aajtak Bangla
  • দার্জিলিং,
  • 06 Dec 2025,
  • अपडेटेड 11:52 PM IST

Darjeeling Bus Problem: শীতের মরশুম মানেই উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাগুলিতে মানুষের ভিড়। সেবক, দুধিয়া, রোহিনী শিলিগুড়ি থেকে শুরু করে উত্তর দিনাজপুর পর্যন্ত নানা জায়গা থেকে বাসভর্তি মানুষ ছুটে যান পিকনিক করতে। কিন্তু ঠিক এই সময়েই দার্জিলিং আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের একটি নতুন সিদ্ধান্ত বিপাকে ফেলেছে বাস মালিকদের। পাহাড়ি এলাকায় যানজট এড়াতে বড় গাড়ির জন্য স্পেশাল পারমিট দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে সরাসরি জেলার বাস ব্যবসায়ীদের উপর। তাঁদের অভিযোগ, বছরের এই সময়টাতেই সামান্য বাড়তি রোজগার হয়। এবার সেই পথ কার্যত রুদ্ধ।

এই পরিস্থিতিতেই উত্তর দিনাজপুর বাস ও মিনিবাস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সরাসরি পরিবহণমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্লাবন প্রামাণিক জানিয়েছেন, স্পেশাল পারমিট বন্ধের বিষয়ে কোনও স্পষ্ট লিখিত নির্দেশ এখনও তাঁদের কাছে পৌঁছয়নি। আঞ্চলিক দফতর থেকে শুধু মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে পারমিট দেওয়া হবে না। কেন এমন সিদ্ধান্ত, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে বাস মালিকদের মনে। তাই পুরো বিষয়টি জানিয়ে তাঁরা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন, যাতে দ্রুত সমাধান হয়।

ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত ছায়া ফেলেছে সাধারণ মানুষের পরিকল্পনায়। রায়গঞ্জ থেকে প্রতি বছর পরিবার ও ছাত্রদের নিয়ে পিকনিকে বেরোনো পার্থ রক্ষিত হতাশ হয়ে বলেন, “একটি বাসে যাওয়া সাশ্রয়ী। যদি বাসই না পাওয়া যায়, তাহলে ১০টা ছোট গাড়ি ভাড়া করে পাহাড়ে যাওয়া আমাদের পক্ষে অসম্ভব। পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।”

আরও পড়ুন

উত্তর দিনাজপুর আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক সুশান্ত অধিকারী অবশ্য আশার আলো দেখাচ্ছেন। তাঁর কথায়, দার্জিলিং দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা চলছে, মৌখিকভাবে আশ্বাসও মিলেছে যে সমস্যা দ্রুত মিটে যেতে পারে। শীতের ভিড়ের মাঝে প্রশাসন, বাস মালিক মানুষের স্বার্থ মিলিয়ে সমাধান কত দ্রুত আসে, এখন রাজ্যের নজর সেদিকেই।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement