
জলপাইগুড়ি শহরে মাঝরাতের গুলি চলার ঘটনাকে ঘিরে একপ্রকার তোলপাড় চলছিল শহরজুড়ে। বুধবার রাতের সেই আতঙ্কের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত প্রোমোটার আনন্দ ঘোষকে গ্রেপ্তার করল জেলা পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আনন্দ ঘোষের বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তার ভিত্তিতেই তাঁকে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্ন সত্ত্বেও কেন তিনি গভীর রাতে গুলি চালিয়েছিলেন, সে বিষয়ে মুখ খোলেননি এই প্রভাবশালী প্রোমোটার।
ঘটনার দিন বুধবার রাত সোয়া বারোটার কিছু পরেই সমাজপাড়া এলাকায় হঠাৎ গুলির শব্দে আঁতকে ওঠেন স্থানীয়রা। গুলিতে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির কাঁচ এবং কাছাকাছি একটি কম্পিউটার সেন্টারের কাঁচের দরজা ভেদ হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত কোনও প্রাণহানি হয়নি।
কিন্তু জলপাইগুড়িতে শনিবার সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও মুখ্যমন্ত্রী-সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অতিথির আগমন রয়েছে। তার আগেই শহরের বুকে এই ‘মিডনাইট শুটিং’ পুলিশি নিরাপত্তা ঘিরে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও দ্রুত অভিযুক্তকে ধরায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে মত পুলিশের।