Advertisement

Malda Child Kidnapping News: কালিয়াচকে শিশু পাচার আতঙ্ক, অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচল ৯ বছরের আমান

Malda Child Kidnapping News: স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কালিয়াচক এলাকায় একটি সুসংগঠিত মানব পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বারবার শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটলেও কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় আতঙ্ক আরও বাড়ছে বলে দাবি তাঁদের।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • মালদা,
  • 10 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:23 AM IST

Malda Child Kidnapping News: মালদার কালিয়াচক জুড়ে ফের আতঙ্ক ছড়াল শিশু পাচারকারীদের দৌরাত্ম্যে। একের পর এক নাবালক নিখোঁজের ঘটনার মধ্যেই অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল ৯ বছরের শিশু আমান শেখ। অপহরণকারীদের হাত থেকে কোনওরকমে পালিয়ে সারা রাত আমবাগানের মগডালে কাটিয়ে রবিবার সকালে বাড়ি ফিরে আসে সে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালিয়াচকের আলিপুর পঞ্চায়েতের গিয়াসু মোড় এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কীভাবে ঘটল ঘটনা
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে কালিয়াচক চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় ভিক্ষা করছিল আমান। সেই সময় এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে খালতিপুর রেলস্টেশনের পিছনের একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যায়। অভিযোগ, সেখানে শিশুটিকে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয় এবং বাবা-মায়ের ফোন নম্বর জানতে চাওয়া হয়।

প্রাণভয়ে দৌড়
অভিযুক্ত ব্যক্তি ফোনে অন্য এক সঙ্গীকে ডাকার সময় সুযোগ বুঝে প্রাণভয়ে দৌড় দেয় আমান। কিছু দূরে একটি আমবাগানে ঢুকে গাছের মগডালে উঠে লুকিয়ে পড়ে সে। দুষ্কৃতীরা দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করলেও শিশুটির কোনও খোঁজ পায়নি। গভীর রাত পর্যন্ত গাছে লুকিয়ে থাকার পর রবিবার সকালে বাগানের মালিক তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন এবং পরিবারের হাতে তুলে দেন।

আরও পড়ুন

চিকিৎসাধীন আমান
এই ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে পরিবার। বর্তমানে আমান মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কালিয়াচক থানার আইসি লিটন রক্ষিত জানিয়েছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এবং ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল।

পরিবার ও স্থানীয়দের আশঙ্কা
পরিবারের আশঙ্কা, অপহরণকারীরা আমানকে পাচারের উদ্দেশ্যে বা কিডনি পাচারের চক্রান্তে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। আমানের মা রেশমা বিবি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “গরিব বলে ছেলে ভিক্ষা করত। এখন থেকে আমি বিড়ি বেঁধে সংসার চালাব, তবু আর ছেলেকে বাইরে পাঠাব না।”

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement