Advertisement

Malda Minor Suicide: রিল বানাতে বাধা মায়ের, প্রতিশোধ নিতে নিজের প্রাণ নিল ১৫ বছরের কিশোরী

Malda Minor Suicide: সুমি মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে রাখা কীটনাশক খেয়ে ফেলে। সকালে তার মুখ দিয়ে গাঁজলা বেরোতে দেখে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে তড়িঘড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Aajtak Bangla
  • গাজোল (মালদা),
  • 06 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:54 AM IST

Malda Minor Suicide: কখনও নাচ, কখনও অভিনয়ের রিলস বানাতেই দিন কাটছিল নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর। দু’মাস পরেই এপ্রিলে স্কুলের ইউনিট টেস্ট পরীক্ষা। পড়াশোনায় মন না দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানো নিয়ে মায়ের বকুনির পর চরম সিদ্ধান্ত নিল কিশোরী। বুধবার সকালে মালদহের গাজোল থানার আলাল গ্রাম পঞ্চায়েতের কদুবাড়ি এলাকায় ওই ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম সুমি টুডু (১৫)। সে গাজোলের শিউচাঁদ পরমেশ্বর বিদ্যামন্দিরের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সুমি মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে রাখা কীটনাশক খেয়ে ফেলে। সকালে তার মুখ দিয়ে গাঁজলা বেরোতে দেখে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে তড়িঘড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সুমির বাবা মণ্ডল টুডু পেশায় কৃষক এবং মা মনি সোরেন গৃহবধূ। তিন মেয়ের মধ্যে সুমি ছিল সবার ছোট। বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পড়াশোনা ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে রিলস বানানোর অভিযোগ ছিল সুমির বিরুদ্ধে। গৃহশিক্ষকের কাছ থেকেও বিষয়টি জানাজানি হয়। সেই কারণেই মঙ্গলবার সকালে মেয়েকে বকাবকি করেছিলেন মা। তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শুধু বকুনিই নয়, এর পিছনে প্রেমঘটিত কোনও বিষয়ও থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে মৃত ছাত্রীর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তার তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মালদহের বিশিষ্ট মনোবিদ এম কে মাহাতো বলেন, “বর্তমানে অল্প বয়সেই সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব টিনএজারদের মানসিক চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে। সেই চাহিদা পূরণ না হলে হতাশা ও মান-অভিমান থেকে এমন চরম সিদ্ধান্ত দেখা যাচ্ছে। পড়ুয়াদের নিয়মিত কাউন্সেলিং অত্যন্ত জরুরি।”

Read more!
Advertisement
Advertisement