Advertisement

Minister Tajmul Hossain: নথি ঠিক থাকা সত্ত্বেও তাঁকে কমিশনের হয়রানি করছে, অভিযোগ মন্ত্রী তাজমুলের

মন্ত্রী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘চক্রান্তের’ অভিযোগ তুলে বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই নোটিস পেয়ে হাজির হয়েছি। আমার এবং আমার পরিবারের সমস্ত নথি নির্ভুল। কিন্তু একজন মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা, তা সহজেই বোঝা যায়।”

তাজমুল হোসেনতাজমুল হোসেন
Aajtak Bangla
  • হরিশ্চন্দ্রপুর (মালদা),
  • 29 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:44 PM IST

নির্বাচন কমিশনের শুনানির নোটিস হাতে নিয়ে সাধারণ ভোটারদের ভিড়েই দাঁড়াতে হল রাজ্যের এক মন্ত্রীকে। বৃহস্পতিবার মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে শুনানি কেন্দ্রে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার তিনবারের বিধায়ক তাজমুল হোসেনকে। মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। জনপ্রতিনিধিকে এভাবে শুনানিতে তলব করা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

জানা গিয়েছে, SIR (Special Intensive Revision) সংক্রান্ত বিষয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের তরফে তাজমুল হোসেনের কাছে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই বৃহস্পতিবার তিনি হাজিরা দেন হরিশ্চন্দ্রপুরের বাংরুয়া হিজরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, যা ২০২ নম্বর বুথ হিসেবে নির্ধারিত। ভোটারদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

শুনানি শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন তাজমুল হোসেন। তাঁর দাবি, ২০০২ সাল থেকে তাঁর নিজের নাম ও বাবার নাম সমস্ত সরকারি নথিতে একেবারে একই রয়েছে। সেই নথি যাচাই করেই তিনি টানা তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য। তা সত্ত্বেও কেন তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে শুনানিতে ডাকা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মন্ত্রী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘চক্রান্তের’ অভিযোগ তুলে বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই নোটিশ পেয়ে হাজির হয়েছি। আমার এবং আমার পরিবারের সমস্ত নথি নির্ভুল। কিন্তু একজন মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা, তা সহজেই বোঝা যায়।”

তিনবারের বিধায়ক তথা বর্তমান মন্ত্রীর নাগরিকত্ব ও পরিচয় সংক্রান্ত বিষয়ে এই শুনানিকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, এটি কমিশনের নিয়মিত প্রক্রিয়া। পাল্টা শাসক শিবিরের অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি করা হচ্ছে। শুনানির চূড়ান্ত ফলাফল কী দাঁড়ায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement