Advertisement

Mamata Banerjee Letter To Commission: জ্ঞানেশকে ফের চিঠি মমতার, রবিবার দিল্লি, সোমে কমিশন দফতরে

চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, SIR-এর নামে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলির বাইরে গিয়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:19 PM IST

Mamata Banerjee Letter To Commission: বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া ঘিরে ফের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে আর একটি চিঠি পাঠান তিনি। সেই সঙ্গে জানা গিয়েছে, সোমবার দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি সিইসি-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তার আগেই কমিশনের ভূমিকা, পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং গোটা প্রক্রিয়ার পদ্ধতি নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, SIR-এর নামে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলির বাইরে গিয়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা মানবাধিকার ও মানবিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের বিষয়টি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রথম দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, এঁদের না রয়েছে যথাযথ প্রশিক্ষণ, না রয়েছে এই ধরনের সংবেদনশীল ও আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ায় কাজ করার আইনি ক্ষমতা। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ কিংবা ভোটার তালিকা সংশোধনের নিয়মে এমন কোনও পদের উল্লেখ নেই বলেও চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

মমতার বক্তব্য, আইন অনুযায়ী ভোটার তালিকা সংশোধনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব ইআরও এবং এয়ারও-দের হাতে। সংবিধানের ৩২৭-৩২৮ অনুচ্ছেদে সংশোধন না করে কমিশন কোনওভাবেই সমান্তরাল কোনও কর্তৃত্ব তৈরি করতে পারে না। অথচ পশ্চিমবঙ্গেই শুধু এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা অন্য কোনও রাজ্যে দেখা যায়নি।

এছাড়াও ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসারকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা এবং তাঁদের ইসিআই পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে তথ্য বিকৃত করে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। এতে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ ভোটার ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন।

Advertisement

চিঠির শেষে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এই পর্যবেক্ষকরা কি আদৌ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন, নাকি কেবল নজরদারির দায়িত্বে? তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এতে ইআরও ও এয়ারও-দের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হচ্ছে। মমতার মতে, এই ভিন্ন আচরণ ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। অবিলম্বে কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement