Advertisement

Modi Pezeshkian Phone Talk: মোদীকে ফোন ইরানের প্রেসিডেন্টের, শান্তি ফেরাতে দিল্লিকে রাস্তা বাতলে দিলেন পেজেস্কিয়ান

Modi Pezeshkian Phone Talk: লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়া এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের যে উদ্বেগ রয়েছে, সেই বিষয়েও মোদী ইরানের প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেছেন বলে খবর। ভারত যে কোনও সংঘাতের বদলে শান্তির পক্ষে, সেই চিরাচরিত অবস্থানই এদিন ফের স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদী পেজেস্কিয়ান ফোনালাপমোদী পেজেস্কিয়ান ফোনালাপ
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 21 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:55 PM IST

Modi Pezeshkian Phone Talk: ইউক্রেন হোক বা মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্বজুড়ে যখনই অশান্তির আগুন জ্বলে ওঠে, সমাধানের সূত্র খুঁজতে বারবার ভারতের দিকেই তাকিয়ে থাকে বিশ্বশক্তিগুলি। এবার সেই তালিকায় নতুন নাম ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে টেলিফোনে এক দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সারলেন তিনি।

তেহরানের পক্ষ থেকেই এই ফোনটি করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে ইজরায়েল ও পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করতে ভারতের হস্তক্ষেপ ও মধ্যস্থতা যে অত্যন্ত জরুরি, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের কথায় সেই সুরই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

সরকারি সূত্রে খবর, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল গাজা এবং লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি। প্রধানমন্ত্রী মোদী বরাবরই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষপাতী। এদিনের আলোচনায় তিনি সাফ জানিয়েছেন, নিরীহ মানুষের প্রাণহানি এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা কারও কাম্য নয়। অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্টও বর্তমান সংকট কাটাতে ভারতের প্রভাবশালী কূটনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়া এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের যে উদ্বেগ রয়েছে, সেই বিষয়েও মোদী ইরানের প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেছেন বলে খবর। ভারত যে কোনও সংঘাতের বদলে শান্তির পক্ষে, সেই চিরাচরিত অবস্থানই এদিন ফের স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মোদী ও পেজেশকিয়ানের এই আলোচনা কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং যুদ্ধের আঁচ থেকে এশিয়াবাসীকে বাঁচাতে এক বড়সড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ভারতের ‘সফট পাওয়ার’ যে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত, এই ফোন কল তারই প্রমাণ। দুই নেতা কেবল যুদ্ধের পরিস্থিতি নয়, বরং ভারত ও ইরানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং চাবাহার বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট নিয়েও আলোচনা করেছেন। যুদ্ধের এই ডামাডোলে ভারতের তেল আমদানির নিরাপত্তা এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা যে নয়াদিল্লির অগ্রাধিকার, এই আলোচনা থেকে তা স্পষ্ট।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement