Advertisement

Cooch Behar Politics Latest Updates TMC: ‘ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের শিকার’, টিকিট না পেয়েই বিস্ফোরক প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ

Cooch Behar Politics Latest Updates TMC: সোমবার সকালে নিজের ফেসবুক ওয়ালে রবীন্দ্রনাথবাবু লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম।’ এই একটি বাক্য পোস্ট হওয়া মাত্রই তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে কোচবিহার থেকে কলকাতা।

Cooch Behar Politics Latest Updates TMC:  ‘ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের শিকার’, টিকিট না পেয়েই বিস্ফোরক প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথCooch Behar Politics Latest Updates TMC: ‘ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের শিকার’, টিকিট না পেয়েই বিস্ফোরক প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ
Aajtak Bangla
  • 31 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:24 AM IST

Cooch Behar Politics Latest Updates TMC: উত্তরবঙ্গের রাজনীতির ময়দানে তিনি ছিলেন দাপুটে এক সেনাপতি। টানা ২১ বছর কোচবিহার জেলা তৃণমূলের ব্যাটন সামলেছেন, সামলেছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রিত্বও। কিন্তু ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই সেই হেভিওয়েট নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এখন ব্রাত্য। আর ব্রাত্য হতেই সোমবার সকালে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর একটি পোস্ট ঘিরে কোচবিহারের রাজনৈতিক মহলে কার্যত ভূমিকম্প শুরু হয়েছে। দলের অন্দরে দীর্ঘদিনের এই বিশ্বস্ত সৈনিকের অভিমানী সুর এখন তৃণমূল নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

সোমবার সকালে নিজের ফেসবুক ওয়ালে রবীন্দ্রনাথবাবু লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম।’ এই একটি বাক্য পোস্ট হওয়া মাত্রই তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে কোচবিহার থেকে কলকাতা। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে যিনি জেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তাঁর মুখে ‘ষড়যন্ত্র’ শব্দটির ব্যবহার রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দলের একাংশের বিরুদ্ধে তাঁর এই ক্ষোভ এখন জেলার অলিতে-গলিতে চর্চার মূল বিষয়।

একসময় নাটাবাড়ি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। গত কয়েক মাস ধরেই তিনি ফের নাটাবাড়ি এলাকায় সাংগঠনিক কাজ শুরু করেছিলেন। অনুগামীদের ধারণা ছিল, দল এবারও তাঁর অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখবে। কিন্তু প্রার্থী তালিকায় নাটাবাড়িতে রবীন্দ্রনাথবাবুর বদলে শৈলেন বর্মার নাম আসতেই পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়। দীর্ঘদিনের নেতাকে এভাবে ছেঁটে ফেলায় জেলার তৃণমূল কর্মীদের একটি বড় অংশের মধ্যে ক্ষোভের আগুন ধিকিধিকি জ্বলছিল, যা নেতার পোস্টের পর প্রকাশ্যে চলে এল।

ঘটনার গভীরে গেলে দেখা যায়, গত কয়েক মাসে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের রাজনৈতিক ডানা ছাঁটার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকেও দলের নির্দেশে তাঁকে সরে যেতে হয়েছিল। তখনই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে, একদা দাপুটে এই নেতাকে হয়তো মূল স্রোত থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে দল। নাটাবাড়ির টিকিট না পাওয়া সেই জল্পনাতেই চূড়ান্ত শিলমোহর দিল। বর্ষীয়ান এই নেতার দাবি, তাঁকে সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী লড়াই থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিষয়টি নিয়ে রবীন্দ্রনাথবাবু নিজে বলেছেন, ‘দল আমাকে পার্মানেন্ট ছুটি দিয়ে দিয়েছে। যা মনের ভেতর ছিল, তা লিখে দিয়েছি। এখন আর প্রচার করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।’ তাঁর এই বয়ান থেকে পরিষ্কার যে, এবার তিনি আর ঘাসফুল শিবিরের হয়ে নির্বাচনী ময়দানে ঘাম ঝরাতে রাজি নন। প্রচারের রণডঙ্কা বেজে গেলেও কোচবিহারের এই অভিজ্ঞ নেতার হাত গুটিয়ে নেওয়া দলের ভোটব্যাঙ্কে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement