Advertisement

Shankar Ghosh Election Campaign: আচমকা প্রচার বন্ধ করলেন শিলিগুড়ির শঙ্কর, কী হল?

Shankar Ghosh Election Campaign: গত রবিবার সকালে কুলিপাড়া থেকে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তারপরও অভিযুক্ত গ্রেফতার না হওয়ায় প্রতিবাদে প্রচার বন্ধ করলেন শঙ্কর ঘোষ।

শঙ্কর ঘোষশঙ্কর ঘোষ
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 24 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:15 PM IST

Shankar Ghosh Election Campaign: কুলিপাড়ার এক কিশোরীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় শিলিগুড়ির জংশন এলাকা হয়ে উঠল অগ্নিগর্ভ। সোমবার সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় জংশন ও হিলকার্ট রোড চত্বরে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এদিন সকালেই নির্বাচনি প্রচার বাতিলের ঘোষণা করেন শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। বিআর আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই শিক্ষক গ্রেফতার হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি কোনও প্রচার করবেন না। তাঁর কথায়, “ভোটের চেয়ে ওই কিশোরীর হত্যাকারীকে পাকড়াও করা অনেক বেশি জরুরি।”

গতকালের ঘটনার রেশ ধরে এদিন সকালে নিহতের বাড়ির সামনে থেকে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের হয়।বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্ত গৃহশিক্ষকের বাড়ির গলিতে ঢোকার চেষ্টা করলে বাধা দেয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর ফলে পরিস্থিতি রীতিমতো রণক্ষেত্রের আকার নেয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। পরবর্তীতে তাঁরা এয়ারভিউ মোড়ে পথ অবরোধ করেন এবং মিছিল নিয়ে মহকুমাশাসকের (এসডিও) অফিসের সামনে গিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গুরুংবস্তি এলাকার ওই গৃহশিক্ষকই কিশোরীর এই করুণ পরিণতির জন্য দায়ী। অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে এদিন শিলিগুড়ির রাজপথ কার্যত স্তব্ধ করে দেন বিক্ষোভকারীরা।

গত রবিবার সকালে কুলিপাড়া থেকে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। ঘটনার পরেই উত্তেজিত জনতা ওই শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছিল। ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্ত অধরা থাকায় পুলিশের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন শহরবাসী। শঙ্কর ঘোষের এই অবস্থান বিক্ষোভ এবং আমজনতার এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ শিলিগুড়ির রাজনৈতিক সমীকরণকেও নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আপাতত থমথমে শিলিগুড়ির জংশন এলাকা, শান্তি বজায় রাখতে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় দেড় বছর ধরে ওই কিশোরী টিউশন পড়ত পাশের পাড়ার এক গৃহশিক্ষকের কাছে। পরিবারের অভিযোগ, পড়তে পড়তেই দু'জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। গৃহশিক্ষক বিবাহিত এবং তাঁর তিন সন্তান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক দিন আগে শিক্ষককে বিয়ের প্রস্তাব দেয় ওই কিশোরী। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে টানাপড়েন চলছিল। তার পরেই এ দিন সকালে নিজের ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় কিশোরীর। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement