Advertisement

Sukanta Majumder: ‘খাসির মাংস-তুলাইপাঞ্জি খেয়ে শান্তিতে থাকতে চাইলে সোজা হোন’, পুলিশকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

Sukanta Majumder: মানিকোর হাইস্কুল মাঠে কুশমণ্ডির বিজেপি প্রার্থী তাপসচন্দ্র রায়ের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, স্থানীয় আইসি নাকি তৃণমূল নেতাদের ফোন করে সরাসরি ‘কাজে নামার’ নির্দেশ দিচ্ছেন।

‘খাসির মাংস-তুলাইপাঞ্জি খেয়ে শান্তিতে থাকতে চাইলে সোজা হোন’, পুলিশকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর‘খাসির মাংস-তুলাইপাঞ্জি খেয়ে শান্তিতে থাকতে চাইলে সোজা হোন’, পুলিশকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 27 Mar 2026,
  • अपडेटेड 4:55 PM IST

চৈত্র মাসের শেষবেলার কাঠফাটা রোদে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দান এখন আক্ষরিক অর্থেই তপ্ত। বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই প্রচারের পারদ চড়ছে, আর সেই সঙ্গেই এবার সরাসরি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সংঘাতে নামল বিজেপি। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডিতে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আয়োজিত সভা থেকে স্থানীয় থানার আইসি এবং বিডিও-কে নজিরবিহীন ভাষায় সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সাফ কথা, পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করে, তবে তৃণমূলের পার্টি অফিস খোলার লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। আইসি-র উদ্দেশে তাঁর প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি, “বউ-বাচ্চা নিয়ে সুখে থাকতে চাইলে আর রবিবারে শান্তিতে খাসির মাংস ও তুলাইপাঞ্জি চালের ভাত খেতে চাইলে সোজা হয়ে কাজ করুন।”

মানিকোর হাইস্কুল মাঠে কুশমণ্ডির বিজেপি প্রার্থী তাপসচন্দ্র রায়ের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, স্থানীয় আইসি নাকি তৃণমূল নেতাদের ফোন করে সরাসরি ‘কাজে নামার’ নির্দেশ দিচ্ছেন। পুলিশের ইউনিফর্ম পরে তৃণমূল ক্যাডারের মতো কাজ করার তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান, নিরপেক্ষতা বজায় না রাখলে নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ৩১১ ধারা প্রয়োগ করে যে কোনও অফিসারকে বরখাস্ত করতে পারে। সুকান্তর হুঙ্কার, “তখন মুখ্যমন্ত্রীও বাঁচাতে পারবেন না।” এর আগে দিলীপ ঘোষও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, এবার সুকান্তর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। বিশেষ করে আইসি-র ব্যক্তিগত জীবন ও খাদ্যাভ্যাস টেনে তাঁর এই আক্রমণাত্মক ঢঙ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।

এদিনের সভায় জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে অন্য দল ছেড়ে বেশ কিছু কর্মী সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন। উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে রাজবংশী ও আদিবাসী ভোটব্যাঙ্কের সমীকরণ যখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তখন দক্ষিণ দিনাজপুরের এই প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক টানাপড়েন এক নতুন মোড় নিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। চৈত্র সেলের ভিড় আর প্রচারের ধুলোবালির মাঝে সুকান্তর এই ‘খাসির মাংস ও তুলাইপাঞ্জি’র দাওয়াই ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে জেলার আমজনতা। প্রশাসনের কর্তারা মুখে কুলুপ আঁটলেও, পালটা সুর চড়াতে ছাড়ছে না শাসকদল তৃণমূলও।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement