
২০২৬-এর ভোটের আগে ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে কোর কমিটির বৈঠকে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় কর্মী—কারও সঙ্গেই যোগাযোগ রাখেন না বিধায়ক। নিজেকে বিশাল বড় নেতা মনে করে পাশের বাড়ির লোককেও চেনেন না। শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ধূপগুড়ি শহর ব্লক এসসি ও ওবিসি সেলের উদ্যোগে পুন্যশ্লোক দাশগুপ্ত হলে আয়োজিত সম্মেলন থেকেই এই ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূলের একাধিক নেতা ও কর্মী। সম্মেলনে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেন, ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় সাধারণ মানুষের সমস্যায় কোনও গুরুত্ব দেন না। এলাকার মানুষ তো দূরের কথা, দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই।
বিধায়কের এই দূরত্বই দলের সংগঠনের পক্ষে ক্ষতিকর বলে দাবি করেন বক্তারা। সম্মেলন মঞ্চ থেকেই স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়, মানুষের পাশে না দাঁড়ালে এবং কর্মীদের অবহেলা করলে তা আর বরদাস্ত করা হবে না। বিধায়কের এই ভূমিকা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই যে ক্ষোভ বাড়ছে, এদিনের সম্মেলন তারই ইঙ্গিত দিল।
পরে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস বলেন, দলীয় সম্মেলনে তো মনের কথা কর্মীরা বলবেন। এটা তো প্রকাশ্য সভা নয়। যে সব জায়গায় ক্ষোভ বিক্ষোভ রয়েছে সেগুলি মিটিয়ে যাতে ধূপগুড়িতে তৃণমূল শক্তিশালী হয় সেটা আমাদের দেখতে হবে।
রিপোর্টারঃ রাজেন প্রধান