Advertisement

TMC BJP Clash Mathabhanga: ভোটের আগে ফের তপ্ত মাথাভাঙা, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে আহত ৬

TMC BJP Clash Mathabhanga:

ভোটের আগে ফের তপ্ত মাথাভাঙা, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে আহত ৬ভোটের আগে ফের তপ্ত মাথাভাঙা, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে আহত ৬
Aajtak Bangla
  • মাথাভাঙা,
  • 06 Dec 2025,
  • अपडेटेड 4:23 PM IST

TMC BJP Clash Mathabhanga: ভোটের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফের উত্তেজনার পারদ বাড়ল কোচবিহারে। মাথাভাঙা-১ ব্লকের বৈরাগিরহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের দুয়াই সুয়াই অঞ্চল শুক্রবার দুপুরে রীতিমতো রাজনৈতিক সংঘর্ষে কেঁপে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই সময়ে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস একটি মিছিল এবং বিজেপি একটি পথসভা আয়োজন করেছিল। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা কাছাকাছি চলে আসতেই হঠাৎই উত্তেজনা চরমে ওঠে। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই দলের মধ্যে হাতাহাতি থেকে শুরু করে মারধর—, বকিছুই ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় অন্তত ছজন তৃণমূল সমর্থক আহত হন বলে খবর। আহতদের সবাইকে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির পথসভা থেকেই প্রথম উসকানি আসে এবং পরিকল্পিতভাবে তাদের মিছিলে হামলা চালানো হয়। তৃণমূলের মাথাভাঙা-১ (এ) ব্লক সভাপতি মহেন্দ্র নাথ বর্মন দাবি করেন, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হঠাৎ করেই বিজেপির লোকজন আক্রমণ করে। ভোটের আগে ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। আমাদের ছয়জন কর্মী গুরুতর আহত। বিজেপি বুঝে গেছে মানুষের সমর্থন কমছে, তাই হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে।” তাঁর কথায় স্পষ্ট ক্ষোভ ও উত্তেজনার আবহ।

অন্যদিকে, বিজেপি পুরো অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূলই বরং তাঁদের পথসভায় হামলা চালিয়েছে এবং ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফল। বিজেপির কোচবিহার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ বলেন, “আমরা কোনও সংঘর্ষে বিশ্বাসী নই। প্রচারসভা চলাকালীন তৃণমূলের কর্মীরাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। যদি কেউ আহত হয়ে থাকে, সেটা তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিবাদের জের। এলাকার মানুষ তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি বুঝে গেছে, তাই এখন পরিবর্তন চাইছে।”

আরও পড়ুন

ঘটনার পর গোটা বৈরাগিরহাট এলাকায় উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই কোচবিহারের রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়ছে—এটাই যেন আবারও মনে করিয়ে দিল মাথাভাঙার সংঘর্ষ।
 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement