
ফের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত ঘেঁষে ভূমিকম্প। এই নিয়ে পরপর দু'বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলার সীমান্তবর্তী দুই এলাকা। ছুটির সকালে জোড়া ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলাতে হল উত্তরবঙ্গকে। সাতসকালে উত্তর দিনাজপুর- বাংলাদেশ সীমান্তে ভূমিকম্পের পর এবার কাঁপুনি অনুভূতি হল পশ্চিমবঙ্গ-ভুটান সীমান্তেও।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে ১০ কিমি গভীরে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা মাত্রা মাত্র ২.৮। অর্থাৎ এটিকে অতি মৃদু কম্পন বলা যেতে পারে। ফলে খুব বেশি মানুষ এই ঝাঁকুনি বুঝতেও পারেননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল ১১:১১ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। কম্পনের উপকেন্দ্র ছিল মালবাজার থেকে ৪১ কিমি উত্তরপূর্বে।
অন্যদিকে এর আগে, রবিবার সাতসকালে কেঁপে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুর ও বাংলাদেশ সীমান্তও। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সকাল ৮টা বেজে ৪ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ওই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৪।
এই কম্পনের উপকেন্দ্র ছিল রায়গঞ্জ শহর থেকে ৪০ কিমি উত্তরে বাংলাদেশ সীমান্তে। অন্যদিকে, ঢাকা থেকে ৩৩১ কিমি দূরে। উত্তরবঙ্গের বেশকিছু এলাকায় এই ঝাঁকুনি অনুভব হয়। যদিও ছুটির সকাল হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি।
উল্লেখ্য বিষয় হল, কম্পনের মাত্রা যদি ৩ থেকে ৩.৯-এর মধ্যে থাকে, সেটিকে মৃদু কম্পন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। যদি কম্পনমাত্রা ৩-এর নীচে হয়, তা হলে সেটিকে অতি মৃদু হিসাবে ধরা হয়। ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ৪-এর নীচে থাকে, তা হলে সেটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার তেমন কারণ থাকে না।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ৯ জানুয়ারি টানা ন'বার ভূমিকম্প হয় গুজরাতে। ১২ ঘণ্টার মধ্যে ন’বার কেঁপে ওঠে গুজরাতের রাজকোট। মৃদু ভূমিকম্প হলেও সেই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ।