Advertisement

BJP Legal Cell: বিজেপি কর্মীকে হুমকি দিয়ে দল ছাড়ানোর অভিযোগ, নানুর যাচ্ছে পদ্মের লিগাল সেল

আবারও খবরে উঠে এসেছে বীরভূমের নানুর। সম্প্রতি সেই এলাকায় এক বিজেপি কর্মীকে প্রকাশ্যে জোর করে বিজেপি এবং আরএসএস ছাড়তে বাধ্য করার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে (সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বাংলা.আজজক.ইন)। আর সেই ঘটনায়, দলীয় কর্মীর পাশে থাকতে এবার নানুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপির আইজীবীদের একটা দল। 

বিজেপি লিগাল সেলবিজেপি লিগাল সেল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Jan 2026,
  • अपडेटेड 8:22 AM IST
  • আবারও খবরে উঠে এসেছে বীরভূমের নানুর
  • সেই এলাকায় এক বিজেপি কর্মীকে প্রকাশ্যে জোর করে বিজেপি এবং আরএসএস ছাড়তে বাধ্য করার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে
  • দলীয় কর্মীর পাশে থাকতে এবার নানুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপির আইজীবীদের একটা দল

আবারও খবরে উঠে এসেছে বীরভূমের নানুর। সম্প্রতি সেই এলাকায় এক বিজেপি কর্মীকে প্রকাশ্যে জোর করে বিজেপি এবং আরএসএস ছাড়তে বাধ্য করার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে (সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বাংলা.আজজক.ইন)। আর সেই ঘটনায়, দলীয় কর্মীর পাশে থাকতে এবার নানুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপির আইজীবীদের একটা দল। 

কারা থাকবেন সেই দলে? 
যতদূর খবর এই দলে থাকবেন, সুস্মিতা সাহা দত্ত, প্রদ্যোৎ সাহা ও সাগর সাহা। তাঁরা নানুরে গিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশের কাছে FIR দায়ের করার দাবি জানাবেন। এছাড়া ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগও জানাবেন তাঁরা বলে জানা যাচ্ছে। 

কী দেখা যায় ভিডিওতে? 
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে নানুরের সেই ভাইরাল ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, পেশায় শিক্ষক রুন্টু পাল বিজেপি এবং আরএসএস-এর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন বলে ঘোষণা করছেন। 

যদিও পরে এই ভিডিও নিয়েই অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশে। সেখানে দাবি করা হয়, ওই ভিডিও জোর করে করা হয়েছে। হুমকি দিয়ে এবং ভয় দেখিয়ে রিন্টুর মুখ থেকে জোর করে ওই সব কথা বলানো হয়। তিনি নিজে মন থেকে ওই সব কথা বলতে চাননি। 

ঘটনাটা কী? 
অভিযোগ পত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি ঘটে ১৮ জানুয়ারি। ওই দিন রিন্টু পাল এবং চিরঞ্জিৎ চট্টোপাধ্যায় (পেশায় শিক্ষক), দুইজন মিলে স্কুলে যাচ্ছিলেন। আর সেখানেই তাঁদের পথ আটকে ধরে কয়েকজন দৃষ্কৃতী। তাঁরা রিন্টুকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। সেখানে সইদ আমিন আলি, শেখ শরাফত হোসেন এহং আলাউদ্দিন শেখ তাঁকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওই এলাকার ৩৫ থেকে ৪০ গ্রামবাসী রিন্টুকে মারধোর করে। তখনই তাঁকে দিয়ে বিজেপি ছাড়ার কথা বলিয়ে ভিডিও রেকর্ড করা হয়। তারপর সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় বলে অভিযোগ। 

কী করতে চাইছে বিজেপি?
এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিশে অভিযোগ জানান হয়েছে। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ যাতে এফআইআর করে, সেটা নিশ্চিত করতে দাবি জানাচ্ছে বিজেপি। সেই মতো দলের কয়েকজন আইনজীবী সেখানে যাবেন। তাঁরা রিন্টু ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলবেন বলেও জানা যাচ্ছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement