Advertisement

সংসারের অশান্তিতে বাপের বাড়ি বউ, রাগের চোটে মাকেই খুন 'গুণধর' ছেলের

সংসারে অশান্তির জেরে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে বউ। আর সেই বউকে ফিরিয়ে আনতে না পেরে মাকেই খুন করল 'গুণধর' ছেলে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট থানার গোকর্নি এলাকায় এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।

রাগের চোটে মাকেই খুন  'গুণধর' ছেলেররাগের চোটে মাকেই খুন 'গুণধর' ছেলের
Aajtak Bangla
  • মগরাহাট,
  • 25 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:22 PM IST
  • বউকে ফিরিয়ে আনতে না পেরে মাকেই খুন করল 'গুণধর' ছেলে।
  • বাড়ির মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় আকিলা গাজীর দেহ পাওয়া যায়।
  • আতাউল্লাহ ধারাল অস্ত্র দিয়ে মাকে কুপিয়ে খুন করে।

সংসারে অশান্তির জেরে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে বউ। আর সেই বউকে ফিরিয়ে আনতে না পেরে মাকেই খুন করল 'গুণধর' ছেলে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট থানার গোকর্নি এলাকায় এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চার মাস আগে বিয়ে হয়েছিল মগরাহাটের যুবক আতাউল্লাহ গাজির। তবে পারিবারিক ঝামেলার জেরে তাঁর স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যান। আর তারপর থেকেই সংসারে অশান্তি বাড়তে থাকে। বউকে ফিরিয়ে আনতে মায়ের উপর চাপ দিতে থাকে ওই যুবক। যদিও সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। এরপরেই মাকে খুনের ছক কষে ওই যুবক।

শুক্রবার গোকর্নী এলাকার বাড়ির মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় আকিলা গাজীর দেহ পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা প্রথমে এই দৃশ্য দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মহিলার দেহ উদ্ধার করে এবং ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। তদন্তের পর পুলিশের দাবি, জেরায় আতাউল্লাহ স্বীকার করেছে যে, অনেকদিন ধরেই তার মাকে খুন করার পরিকল্পনা ছিল। 

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শুক্রবার যখন বাড়ি ফাঁকা ছিল, তখন আতাউল্লাহ ধারাল অস্ত্র দিয়ে মাকে কুপিয়ে খুন করে। হত্যাকাণ্ডের পর সে প্রথমে নদীয়া পালিয়ে যায়, পরে ধামুয়া এলাকায় গা ঢাকা দেয়। মগরাহাট থানার পুলিশ ধামুয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃত আতাউল্লাহ গাজিকে ডায়মন্ডহারবার আদালতে পেশ করা হয়। 

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তের কিছু মানসিক সমস্যা রয়েছে। সে জন্য ওষুধপত্র খেতেন। সেই কারণে নববিবাহিত বধূ তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গোটা ঘটনায় গোকর্ণী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, আতাউল্লাহের পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আতাউল্লাহ মানসিকভাবে অসুস্থ। যদিও তাঁর কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement