Advertisement

নদিয়া থেকে পাকড়াও হাদি হত্যায় জড়িত তৃতীয় অভিযুক্ত, গ্রেফতার করল STF

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আরও একজন। ফলে এই মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে হল ৩ জন। তৃতীয় অভিযুক্তের নাম ফিলিপ সাংমা। তিনিও আদতে একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তবে নদিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে STF।

হাদি হত্যা মামলায় জড়িত তৃতীয় ব্যক্তিও গ্রেফতারহাদি হত্যা মামলায় জড়িত তৃতীয় ব্যক্তিও গ্রেফতার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:05 AM IST
  • ওসমান হাদি হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আরও একজন।
  • এই মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে হল ৩ জন।
  • নদিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে STF।

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আরও একজন। ফলে এই মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে হল ৩ জন। তৃতীয় অভিযুক্তের নাম ফিলিপ সাংমা। তিনিও আদতে একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তবে নদিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে STF। জানা গিয়েছে, লোকেদের অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার করতে জড়িত ছিলেন ওই ব্যক্তি।

STF সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের হাদি হত্যা মামলায় জড়িত ফয়জল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই এই ফিলিপসের নাম প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, ওই বাংলাদেশি ব্যক্তিই তাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার মেঘালয় দিয়ে ভারতে ঢুকিয়েছিল। এরপরেই ফিলিপকে পাকড়াও করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ।

গোপন সূত্রের খবর পেয়ে শনিবার ভোরে  শান্তিপুর বাইপাসের কাছে একটি এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের দাবি, ফিলিপ সাংমা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, টাকার বিনিময়ে হালুয়াঘাট (বাংলাদেশ) এবং ডালুপাড়া (মেঘালয়, ভারত) সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে তিনি লোক পাচার করতেন।

জেরায় ফিলিপ স্বীকার করেছে, হাদি হত্যা মামলার দুই অভিযুক্ত ফয়জল এবং আলমগীরকে সেই ভারতে ঢুকতে সাহায্য করেছিল। পরে পুলিশের চাপের কারণে সে নিজেও একই সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। তারপর থেকে এতদিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে লুকিয়ে ছিল সে। 

এমনকি পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সক্রিয় হতে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ারও চেষ্টা করেছিল অভিযুক্ত। তবে কোনও কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। শনিবার ফিলিপ সাংমাকে পাকড়াও করার পর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারকের নির্দেশে তাকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার আরও তদন্ত করছে পুলিশ।

Read more!
Advertisement
Advertisement